কম্পিউটার প্রোগ্রামিং এ আগ্রহী শিক্ষার্থীদের একটি কোন প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ দিয়ে তারা শেখা শুরু করবে। যখন কেউ আমাকে এই প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করে, তখন আমাকে উল্টা তাকে বেশ কয়েকটি প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করতে হয়।

যেমন সে কোথায় পড়াশোনা করে, কোন সেমিস্টার পড়াশোনা করে, কোন ডোমেইন এ কাজ করতে চায় ভবিষ্যতে ইত্যাদি।

এর কারণ হচ্ছে প্রত্যেকটি ল্যাঙ্গুয়েজ স্পেশাল ক্যারেক্টার নিয়ে গঠিত  এবং প্রত্যেকটি মানুষের জন্য সমানভাবে প্রতিটি ল্যাঙ্গুয়েজ প্রযোজ্য নয়।

যেমন ধরেন যে স্টুডেন্ট ভবিষ্যতে ওয়েব বেজড  অ্যাপ্লিকেশন নিয়ে কাজ করতে চায় এবং চাকরির জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে, তার জন্য যে প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ প্রযোজ্য, যে শিক্ষার্থী কেবল প্রথম বর্ষে ভর্তি হয়েছে তার তার জন্য কিন্তু সেই প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ প্রযোজ্য না-ও হতে পারে।

আবার যেই স্টুডেন্ট ভবিষ্যতে গুগল,মাইক্রোসফট এর মত  জায়ান্ট কোম্পানিতে চাকরি করতে চায়। তার জন্য যে ল্যাঙ্গুয়েজ প্রযোজ্য একজন  ইন্টার পড়ুয়া শিক্ষার্থীর জন্য কিন্তু সেই ল্যাঙ্গুয়েজ নাও হতে পারে।

এর জন্য যখন কেউ আমাকে জিজ্ঞাসা করে কোন প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ নিয়ে আমাকে শুরু করতে হবে, তখন আমাকে বেশ কয়েকটি ইনফরমেশন জানার জন্য তাকে উল্টা প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করতে হয়।

তো আমি আজকের এই ভিডিওতে ব্যাখ্যা করব ক্যাটাগরি অনুযায়ী, কোন ক্যাটাগরির মানুষের জন্য কোন প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ প্রযোজ্য হবে এবং ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করব কেন তার জন্য সেই ল্যাঙ্গুয়েজ টাই বেটার হবে।

চলুন শুরু করা যাকঃ

যদি আপনি ইউনিভার্সিটি লেভেলের শিক্ষার্থী হয়, এবং আপনি জবের জন্য প্রস্তুতি নেন। তাহলে আপনার উচিত হবে আপনার ডোমেইন  ট্রাক সিলেক্ট করা। যদি আপনি ওয়েব বেজড অ্যাপ্লিকেশন নিয়ে কাজ করতে চান, তাহলে আপনার উচিত হবে পিএইচপি দিয়ে শুরু করা।

কারণ আমাদের দেশে সাধারণত পিএইচপি দিয়ে ওয়েব এপ্লিকেশন, অয়েব বেজড  সফটওয়ারগুলো ডেভলপমেন্ট করা হয়ে থাকে।

 আর যদি আপনি মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন ডেভলপার হতে চান, তাহলে আপনি জাভা শিখতে পারেন আপনি কট লিন শিখতে পারেন।

 যদি আপনি ইয়ার পি  ডেভলপার হতে চান   বা অন্য কোন কোর্স সফটওয়্যার ডেভলপমেন্ট আসতে চান। আপনি পাইথন শিখতে পারেন।  কারণ পাইথন এ কিন্তু  কিন্তু ওয়েব ফ্রেমওয়ার্ক রয়েছে,এপ্লিকেশন  ফ্রেমওয়ার্ক রয়েছে  এবং এনালাইসিস ফ্রেমওয়ার্ক  রয়েছে।  আপনি চাইলে যেকোন ফ্রেমওয়ার্ক ব্যবহার করে পাইথন দিয়ে ওয়েব ডেভেলপমেন্ট করতে পারেন, আবার অ্যাপ্লিকেশনও ডেভলপ করতে পারেন।

 যদি এমন হয় আপনি নিশ্চিত নন ইউনিভার্সিটি থেকে গ্রাজুয়েশন করার পরে আপনি কোন ট্রাকে কাজ করবেন। এক্ষেত্রে আপনার উচিত হবে পাইথন শেখা। কারণ আপনি যদি পেয়ে থাকেন তাহলে একসাথে অনেকগুলো ট্রাকে যাওয়ার সুযোগ হবে।  যেমন পাইথন দিয়ে আপনি প্রবলেম সলভ করতে পারেন, আবার পাইথন দিয়ে ডাটা স্ট্রাকচার ও অ্যালগরিদম প্র্যাকটিস করতে পারেন। স্পোর্টস প্রোগ্রামারদের মত নিয়মিত কনটেস্টে অংশগ্রহণ করতে পারেন।

এছাড়া পাইথনের ওয়েব ফ্রেমওয়ার্ক রয়েছে যার মাধ্যমে আপনি ওয়েব ডেভেলপমেন্ট করতে পারেন। পাইথন দিয়ে ইআরপি ডেভেলপমেন্ট করতে পারেন। আপনি কোর্স সফটওয়্যার হিসেবে  পাইথন এ কাজ করতে পারেন। আবার আপনি কিন্তু পাইথন দিয়ে মেশিন লার্নিং,আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স্‌,ইমার্জিং টেকনোলজি গুলোতেও কাজ করতে পারেন।

আরেকটি সুবিধা হচ্ছে আপনি যদি ইউনিভার্সিটি থেকে গ্রাজুয়েশন শেষ করার পরে জব করতে না চান একাডেমিয়া তে থাকেন সেক্ষেত্রেও কিন্তু পাইথন আপনাকে অনেক বেশি হেল্প করতে পারে। কারণ একাডেমিক বিভিন্ন কাজকর্মে কিন্তু পাইথন সবচাইতে বেশি ইউজ করা হয়ে থাকে।

যদি এরকম হয় আপনি নন সি এস ব্যাকগ্রাউন্ড থেকে সফটওয়্যার ডেভলপমেন্ট ফিল্ডে আসতে চান, সে ক্ষেত্রে আপনি কোন প্রোগ্রামিং দিয়ে শুরু করবেন?

এক্ষেত্রে আমার সাজেশন হচ্ছে,আপনি সিএস ব্যাকগ্রাউন্ড এর স্টুডেন্টদের মত প্রথমে আপনার ট্রাক সিলেক্ট করুন। যদি আপনি ট্রাক সিলেক্ট করতে পারেন, সেক্ষেত্রে আপনি ওয়েব এর জন্য পিএইচপি দিয়ে শুরু করতে পারেন কারণ আমাদের দেশে সাধারণত ওয়েব ডেভলপার ওয়েব বেজড অ্যাপ্লিকেশনগুলো  পিএইচপি দিয়ে  ডেভলপ করা হয়ে থাকে।

অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ্লিকেশনের জন্য  জাভা বা কটলিংক শিখতে পারেন।  আপনি আই ও এস এর জন্য সুইফট শিখতে পারেন। এছাড়াও যদি এরকম হয় আপনি নিশ্চিত নন আপনি গ্রাজুয়েশন করার পরে কোন ট্রাকে জব করতে চান।  সে ক্ষেত্রে আপনি পাইথন শিখতে পারেন।

 আর যদি পাইথন আপনি শিখেন তাহলে আমি আগেই বলেছি  পাইথন শেখার কি কি সুবিধা রয়েছে, সেগুলো কিন্তু আপনার জন্য প্রযোজ্য হবে।  

যদি আপনি নন কম্পিউটার সায়েন্সের জুনিয়র ইয়ারের স্টুডেন্ট হন  এবং প্রোগ্রামিং শিখতে আগ্রহী হন, সে ক্ষেত্রে আপনার উচিত হবে পাইথন দিয়ে প্রোগ্রামিং শুরু করার।

এর কারণ হচ্ছে পাইথনের বেশ কিছু সুবিধা রয়েছে যেটি একটু আগেই বলেছি। এর বাইরে আপনি যখন জুনিয়র ইয়ারের প্রোগ্রামিং শুরু করবেন তখন কিন্তু আপনার হাতে বেশ কিছু সময় থাকছে। যেহেতু আপনার হাতে বেশ সময় রয়েছে।  সে ক্ষেত্রে আপনার উচিত হবে নিয়মিত স্পোর্টস প্রোগ্রামারদের মত  নিয়মিত প্রোগ্রামিং স্পোর্টস ক্যারি করা।

 এতে করে কি হবে? একটা সময় আপনি গুগল, ফেসবুক বা মাইক্রোসফট  এর মত কোম্পানিগুলোতে জব করার সুযোগ পেলেও পেতে পারেন। অনেকেই রয়েছে যাদের কম্পিউটার সায়েন্সে ডিগ্রি নেই কিন্তু অন্যদিকে রয়েছে তার পরেও তারা কিন্তু এরকম জায়ান্ট কোম্পানিতে চাকরি পাচ্ছে এবং এই সুযোগটি আপনার জন্য হতে পারে যদি আপনি জুনিয়র নন সি এস ব্যাকগ্রাউন্ড থেকে প্রোগ্রামিং শুরু করেন।

 এক্ষেত্রে আমার সাজেশন আগের মতই আপনি পাইথন দিয়ে শুরু করবেন।

আপনি যদি নন সি এস  ব্যাকগ্রাউন্ড এর স্টুডেন্ট হয়েও  প্রোগ্রামিংয়ে আগ্রহী হন, সে ক্ষেত্রে আপনার জন্য একটু সর্তকতা রয়েছে।  সেটি হচ্ছে যখন আপনি জুনিয়র ইয়ারে প্রোগ্রামিং শুরু করবেন, আপনার আশেপাশে হয়তো কেউ এইচটিএমএল সিএসএস শেখার মাধ্যমে ওয়েব টেম্পলেট সেলিং বা  ফ্রিল্যান্সিংয়ে আগ্রহী করার চেষ্টা করতে পারে। 

এক্ষেত্রে আপনার উচিত হবে এই অফার গুলো এভয়েট করা।  আপনার হাতে সময় রয়েছে এখন আপনার সময় হচ্ছে স্ট্রেন্থ বিল্ড করা।  আপনার বেসিক টা ক্লিয়ার করা। সেজন্য আপনি যদি শুরুতেই ফ্রিল্যান্সিংয়ের কথা চিন্তা করেন, সে ক্ষেত্রে কিন্তু আপনার বড় ধরনের ক্ষতি হলেও হতে পারে।

এই ফ্রিল্যান্সিংয়ে না যাওয়ার সাজেশনটি যারা সি এস   ব্যাকগ্রাউন্ডের জুনিয়র স্টুডেন্ট রয়েছে তাদের জন্য প্রযোজ্য। আপনাদের কোনোভাবেই উচিত হবেনা ফ্রিল্যান্সিংয়ের চেষ্টা করা।

কম্পিউটার সায়েন্সের স্টুডেন্ট দের কে কেন ফ্রিল্যান্সিং করার উচিত নয় স্টুডেন্ট লাইফ এর ব্যাপারে সে ব্যাপারে একটি ব্লগ রয়েছে গালিবনোটশ এ । আপনারা চাইলে দেখে আসতে পারেন। 

আপনি যদি কম্পিউটার সায়েন্সের স্টুডেন্ট হন জুনিয়র ইয়ারের সে ক্ষেত্রে আপনি সি প্রোগ্রামিং শিখতে পারেন। 

নরমালি আমাদের দেশের ইউনিভার্সিটিগুলোতে সি প্রোগ্রামিং ও সি প্লাস প্লাস দিয়ে প্রোগ্রামিং ক্লাসগুলো শুরু করানো হযইয়ে থাকে।  আর যদি আপনি  সি প্রোগ্রামিং শুরু করেন  তাহলে কিন্তু আপনার লজিক বিল করতে সুবিধা হবে। এবং এটি আপনাকে স্পোর্টস প্রোগ্রামার হতে সহায়তা করবে।

এছাড়াও কম্পিউটার সায়েন্সের জুনিয়র ইয়ারের স্টুডেন্ট হিসেবে, আপনি চাইলে পাইথন দিয়ে প্রোগ্রামিং শুরু করতে পারেন। সেটিও আপনার জন্য ডিসএডভান্টেজ  ক্যারি করবে না। 

যদি আপনি বাংলাদেশি এইচএসসি লেভেলের কোন স্টুডেন্ট হয়ে থাকেন, কলেজ পর্যায়ের স্টুডেন্ট হয়ে থাকেন এবং প্রোগ্রামিংয়ে আগ্রহী হন, সে ক্ষেত্রে আপনার উচিত হবে সি প্রোগ্রামিং শেখা।

সি প্রোগ্রামিং শেখার জন্য আপনার বীজগণিত একটু দক্ষতা লাগবে কারণ  সি প্রোগ্রামিং এর লজিক বিল্ড করার জন্য বীজগণিতের সহায়তা লাগে। 

আরেকটি ব্যাপার হচ্ছে এইচএসসি লেভেলের আইসিটি বইতে কিন্তু আমাদের সি প্রোগ্রামিং এর সমস্যাগুলো রয়েছে। তাই আপনি যদি এইচএসসি পর্যায়ের স্টুডেন্ট হিসেবে সি প্রোগ্রামিং শেখেন। তাহলে কিন্তু আপনার একাডেমিক আইসিটি পড়ার উপরও সহায়তা হবে। এছাড়াও আপনাকে যেহেতু আইসিটিতে সি প্রোগ্রামিং শিখতে হচ্ছে ,সে ক্ষেত্রে অন্য একটি প্রোগ্রামিং শেখা মানে একসাথে দুইটি প্রোগ্রামিং শেখা কিন্তু আপনার জন্য বেশ কষ্টসাধ্য হবে ।

তাই যদি আপনি এইচএসসি পর্যায়ের শিক্ষার্থী হন, সে ক্ষেত্রে আমার সাজেশন হচ্ছে আপনি সি প্রোগ্রামিং দিয়ে শুরু করতে পারেন।

এবারে যারা হাই স্কুল পর্যায়ের শিক্ষার্থী রয়েছেন, এবং কম্পিউটার প্রোগ্রামিং এ আগ্রহী তাদের কথা বলি।

যদি আপনি হাই স্কুল পর্যায়ের শিক্ষার্থী হয়ে থাকেন সেক্ষেত্রে আপনার উচিত হবে সি প্রোগ্রামিং অথবা পাইথন দিয়ে শুরু করা।

যদি আপনি ইনফরমেটিক্স অলিম্পিয়াডে অংশগ্রহণ করতে চান, অথবা জুনিয়র লেভেল প্রোগ্রামিং কনটেস্ট অংশগ্রহণ করতে চান সে ক্ষেত্রে সি প্রোগ্রামিং একটা আদর্শ সিলেকশন হতে পারে।

এছাড়াও আপনি পাইথন দিয়ে শুরু করতে পারেন। পাইথনের সুযোগ সুবিধা অসুবিধাসমূহ এই ভিডিওর প্রথম দিকে বলা হয়েছে।

যদি এরকম হয় আপনার বাসার ছোট ভাইবোনদের কেউ অথবা আপনার বাসার কোন পিচ্চি, কম্পিউটার প্রোগ্রামিং শিখতে চায়। দশ বছরের নিচের কোন বাচ্চারা যদি কম্পিউটার প্রোগ্রামিং শিখতে চায়, সেক্ষেত্রে আপনার উচিত হবে প্রোগ্রামিং এর বিভিন্ন টুলস দেখিয়ে দেয়া। 

যেমন  এম আইটির স্ক্রেস টুলস রয়েছে।  যেটি খুবই জনপ্রিয় বাচ্চাদের জন্য। এছাড়াও আপনাদের উচিত হবে বাচ্চাদের জন্য নিয়মিত নার্সিং করার মাধ্যমে বিভিন্ন প্রবলেম সমাধান করতে দেয়া। 

যখন বাচ্চারা প্রবলেম সমাধান করবে তখন কিন্তু একসময় যে বাচ্চাদের কম্পিউটার প্রোগ্রামিং খুবই সহজ মনে হবে। 

যদি আপনার কম্পিউটার প্রোগ্রামিং নিয়ে কোন প্রকার প্রশ্ন থেকে থাকে, সে ক্ষেত্রে আপনি চাইলে আমাদেরকে ইমেইল করতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে আমাদেরকে নক করতে পারে্‌

এছাড়াও আপনি চাইলে কমেন্ট বক্সে কমেন্ট করে আমাদেরকে জিজ্ঞাসা করতে পারেন।

আমাদের ফেসবুক অ্যাড্রেস ও ইমেইল এড্রেস রয়েছে ডেসক্রিপশন বক্স এ। 

এই সম্পূর্ণ ভিডিও তে যারা অনার্স পাশ করে গেছেন,মাস্টার্স  পিএইচডি লেভেলের পড়াশোনা করছেন,তাদের জন্য কম্পিউটার প্রোগ্রামিং কোনটা বেটার হবে  সেটি এভয়েট করা হয়েছে।

এর কারণ হচ্ছে যারা মাস্টার্স,পিএইচডি লেভেলের পড়াশোনা করে তারা  ওয়েল ম্যাচিউরড। এছাড়াও গবেষণার বিভিন্ন সেক্টরে বিভিন্ন ল্যাঙ্গুয়েজে দরকার হয়ে থাকে।  এক্ষেত্রে আপনি যদি মাস্টার্স,পিএইচডি লেভেলের শিক্ষার্থী হন। আপনার উচিত হবে আপনাদের একই ফিল্ডে রয়েছে তাদের কাছে জিজ্ঞাসা করে  কম্পিউটার প্রোগ্রামিং এর সাজেশন নেয়া এবং সে অনুযায়ী প্রস্তুতি নেওয়া।

কম্পিউটার প্রোগ্রামিং  একটি সাজেশন আপনাদেরকে না বললেই নয় সেটি হচ্ছে কম্পিউটার প্রোগ্রামিং কিন্তু এক মাস,দুই মাস,তিন মাস সময় ফিক্স করে শেখার মতো কোনো বস্তু নয়।

কম্পিউটার প্রোগ্রামিং ইজ লাইভ স্পোর্টস। খেলাতে  যেমন আপনি যত বেশি খেলবেন, ততো আপনি এক্সপার্ট হবেন।  সেরকমভাবে কম্পিউটার প্রোগ্রামিং এ আপনি যত প্রোগ্রামিং করবেন, সময় নিয়ে সমস্যার সমাধান করবেন ততবেশি আপনি এক্সপার্ট হবেন।

এই ভিডিওতে আমি বারবার স্পোর্টস প্রোগ্রামিং শব্দটি ব্যবহার করেছি। স্পোর্টস প্রোগ্রামিং হচ্ছে স্পোর্টস এর মত করে  প্রোগ্রামিং করা।

তো এই ছিল আজকের ভিডিও। দেখা হবে পরের ভিডিওতে ততক্ষণ পর্যন্ত ভাল থাকুন, সুস্থ থাকু্‌ন, এই প্রত্যাশায় বিদায় নিচ্ছি।

0Shares
ওয়েব ডিজাইনার বা ফ্রন্ট-এন্ড ওয়েব ডেভেলপার Previous post ওয়েব ডিজাইনার বা ফ্রন্ট-এন্ড ওয়েব ডেভেলপার হবেন যেভাবে!
Next post সিএসই শিক্ষার্থীদের গিট শেখা আবশ্যক কেন?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Close

গালিব নোটস এর ইউটিউব ভিডিওঃ