টেকনিক্যাল কনটেন্ট রাইটিং বর্তমান সময়ের একটি আদর্শ পজিশন সফটওয়্যার কোম্পানি সহ বিভিন্ন কোম্পানিতে।

আজকের ব্লগে আমি কি, কেন, কিভাবে, বেতন কত টেকনিক্যাল কনটেন্ট রাইটিং শুরু করবেন,কিভাবে চাকরি পাবেন তার বিস্তারিত আলোচনা করবো।

আপনি যদি টেকনিক্যাল বিষয় নিয়ে এবং সফটওয়্যার কোম্পানি গুলো নিয়ে আগ্রহী হয়ে থাকেন এবং সফটওয়্যার কোম্পানিতে চাকরি করতে চান।

সে ক্ষেত্রে টেকনিক্যাল কনটেন্ট রাইটিং পজিশন একটি আইডিয়াল পজিশন হতে পারে।।

টেকনিক্যাল কনটেন্ট রাইটিং পজিশনের জন্য কিন্তু কোম্পানিগুলো নিয়মিত রিক্রুট করে থাকে এবং এ ব্যাপারে আপনার যদি আগ্রহ থাকেন।

আপনি যদি সরাসরি সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারদের সঙ্গে কাজ করতে চান সে ক্ষেত্রে টেকনিক্যাল কনটেন্ট রাইটিং আপনার জন্য সেরা পজিশন হতে পারে।

ওয়ার্ডপ্রেস কোম্পানিতে কি কি চাকরি করা যায়?

আজকের ব্লগে আমি টেকনিক্যাল কনটেন্ট রাইটিং কি? কেন? কিভাবে? বেতন কত? রাইটিং কাজ করে? কিভাবে কাজ শিখতে হবে?

কিভাবে আপনি শুরু করবেন? এবং আপনার সেলারি কত হবে? টেকনিক্যাল কনটেন্ট রাইটিংয়ের ফিউচার কি রয়েছে?

এই বিষয়গুলো নিয়ে ডিসকাস করার চেষ্টা করব। 

যদি আপনি লেখালেখি করে সফটওয়্যার কোম্পানিতে চাকরি পেতে চান তাহলে আজকের পর আপনার জন্য উপকারী ব্লগ হতে পারেন।

টেকনিক্যাল কনটেন্ট রাইটিং এ চাকরি লাগবে?

এই ব্লগের বিস্তারিত লেখা শুরু করার আগে আমি আপনাদেরকে বলতে চাই যে এই ব্লকটি যখন আমি লিখছি অথবা কিছুদিন পরে আপনি যখন এটি পড়বেন।

হয়তোবা আমি যে কোম্পানিতে চাকরি করছি অথবা আমাদের কোম্পানি রয়েছে সেই কোম্পানিতে টেকনিকেল কনটেন্ট রাইটিংয়ের প্রয়োজন রয়েছে। 

কাজেই আপনি যদি টেকনিক্যাল কনটেন্ট রাইটিং ইন্টারেস্টেড হন তাহলে অবশ্যই কমেন্ট বক্সে অথবা আমাকে রিচ করতে পারেন আমি চেষ্টা করব আপনাকে রেফার করে দেওয়ার জন্য।

কম্পিউটার সায়েন্স স্টুডেন্টদের যা যা করা উচিৎ!

টেকনিক্যাল কনটেন্ট রাইটিং এ কি কাজ করতে হয়ঃ

সফটওয়্যার কোম্পানিগুলোতে টেকনিকেল যে বিষয়গুলো রয়েছে সেগুলো জনসাধারণের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য টেকনিকেল কনটেন্ট রাইটার দের কে হায়ার করে থাকে।

নরমালি একজন টেকনিক্যাল কনটেন্ট রাইটার বা যে কাজগুলো করে থাকে তার মধ্যে সবথেকে বেশি হয়েছে ব্লগ রাইটিং।

বিভিন্ন রকমের ব্লগ রাইটিং করা লাগতে পারে। যেমন টেকনিক্যাল ব্লগ লেখা অথবা ডকুমেন্টেশন ব্লগ লেখা, কম্পারিজন ব্লগ লেখা হতে পারে।

পাশাপাশি আপনাকে টিউটোরিয়ালটি ব্লগ লিখতে হতে পারে,মারকেটিং এ আপনার এগুলো আপনার লিখতে হতে পারে।

স্টুডেন্ট লাইফেইনকাম করা যায় কিভাবে?

এর বাইরেও যে সেলস কপি রয়েছে,ইমেইল নিউজলেটার রয়েছে,এছাড়া ডিজিটাল মার্কেটিং এ কিছু একজন টেকনিক্যাল কনটেন্ট রাইটার এর সেই কাজগুলো করা লাগতে পারে।

রিসেন্ট সময় একজন টেকনিক্যাল কনটেন্ট রাইটারকে ভিডিও কনটেন্ট এর ভিডিও স্ক্রিপটিং,ভিডিও এডিটিং এবং ভিডিও এংকারিং এর ক্ষেত্রে অনেক সময় কাজ করা লাগতে পারে।

মোটকথা একজন টেকনিক্যাল কনটেন্ট রাইটারকে টেকনিক্যাল যে টার্মস গুলো রয়েছে টেকনিক্যাল বিষয়গুলো রয়েছে যেগুলো জনসাধারণের বুঝতে কষ্ট হতে পারে।

জনসাধারণের ভাষায় সাধারন ল্যাঙ্গুয়েজে তাদের বোঝানোর জন্য আপনার যা যা করণীয় সেই কাজগুলো করতে হবে।

কম্পিউটার সাইন্সে নন-মেজর যে যে কোর্স করা লাগে

যদি আপনি টেকনিক্যাল কনটেন্ট রাইটার হতে চান তাহলে আপনার কি কি জানতে হবেঃ

সবার প্রথমে আপনার জানতে হবে ইংলিশ। ভালোমতো যদি আপনার ইংলিশে দক্ষতা না থাকে তাহলে টেকনিক্যাল কনটেন্ট রাইটার এ আপনার জন্য ভালো করা খুবই কষ্টসাধ্য ব্যাপার হবে। 

কারণ আপনি যখন ব্লগে লিখবেন,সেলস করবেন,ডকুমেন্টেশন লিখবেন বা টিউটেরিয়াল লিখবেন সব কিছুই কিন্তু ইংরেজি ল্যাঙ্গুয়েজে লিখতে হবে।

তাই সবার প্রথম এবং ফর মোষ্ট স্কিলস হচ্ছে আপনাকে ইংরেজিতে ভালো হতে হবে।

কিভাবে ভালো কম্পিউটার প্রোগ্রামার হওয়া যায়?

কমিউনিকেশনে ভালো হতে হবে টেকনিকেল কনটেন্ট রাইটার হতে হলেঃ

মনে রাখবেন আপনি যখন ব্লগ লিখছেন তারমানে আপনি একজন পটেনশিয়াল কাস্টমারের  সঙ্গে কমিউনিকেশন করছেন।

যদি আপনার কমিউনিকেশন দক্ষতা ভালো না হয় তাহলে টেকনিকেল কনটেন্ট রাইটিং আপনার জন্য ভালো করা বেশ কষ্টসাধ্য হয়ে যাবে। 

কম্পিউটার সাইন্সে পড়েফেসবুক হ্যাক শেখা যায়?

রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস দরকার হবেঃ

টেকনিক্যাল কনটেন্ট রাইটার হিসেবে কাজ করার জন্য আপনাকে পরে যদি আপনার দরকার হবে সেটি হচ্ছে সেটি হচ্ছে রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস। 

যখন আপনি কোন ব্লগ লিখবেন অথবা টিউটেরিয়াল লিখেন তখন কিন্তু আপনাকে দেখতে হবে অন্যরা কি কি জিনিস করেছে অন্যরা কিভাবে প্রেজেন্ট করেছেন।

তার মধ্যে কি কি লেগিংস রয়েছে সেগুলো এনালাইসিস করতে হবে। এর পরে তাদের থেকে বেটার কনটেন্ট আপনাকে লিখতে হবে।

কাজেই টেকনিক্যাল কনটেন্ট রাইটার হওয়ার জন্য রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস স্কিলস অনেক বেশি ইম্পর্টেন্ট।

প্রোগ্রামিং ইন্টারভিউফেইলর হওয়ার কারন কি?

টেকনিক্যাল কনটেন্ট রাইটার এর জন্য সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন জানা জরুরীঃ

এর পরে যেই স্কুলসী আপনার দরকার হবে সেটি হচ্ছে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন। যদি আপনি এসইও ফ্রেন্ডলি  কনটেন্ট লিখতে চান তাহলে আপনাকে জানতে হবে কিভাবে এসইও কাজ করে।

তাই যদি আপনি টেকনিক্যাল কনটেন্ট রাইটার হতে চান সেই ক্ষেত্রে বেসিক এস ই ও আছে এটি আপনি শিখে নিতে পারেন। 

এবার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ হচ্ছে আপনি যে ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করতে চান সে ইন্ডাস্ট্রি ব্যাপারে আপনাকে ব্যাসিক জানতে হবে।

মোটামুটি ভাবে আপনার যদি এই স্কিলস গুলো থাকে তাহলে আপনি টেকনিক্যাল কনটেন্ট রাইটার হিসেবে কাজ করতে পারেন। 

দেশে বসেই বিদেশি রিমোট জব করবেন যেভাবে!

টেকনিক্যাল কনটেন্ট রাইটার হিসেবে কাজ করতে এডুকেশনাল স্কিলস কেমন লাগবেঃ

যদি আপনি টেকনিক্যাল কনটেন্ট রাইটার হিসেবে কাজ করতে চান তাহলে আপনার এডুকেশনাল স্কিলস কেমন লাগবে?

এই ক্ষেত্রে আপনি যদি কম্পিউটার সায়েন্স অথবা রিলেভেন্ট সাবজেক্ট,ব্যাচেলর অব বিজনেস এডমিনিস্ট্রেশন অথবা ব্যাচেলর অফ ইংলিশ এই সাবজেক্ট যদি আপনি পাস করেন।

তাহলে আপনি টেকনিক্যাল কনটেন্ট রাইটার হিসেবে কাজ করতে পারবেন।

তবে আপনি যদি টেকনোলজির ব্যাপারে আগ্রহ হন তাহলে যে কোন সাবজেক্ট থেকে অনার্স পাশ করে চাকরি করতে পারবেন।

আরেকটা ব্যাপার হচ্ছে যদি আপনার ভালো কোয়ালিটি থাকে আপনি যদি আসলেই ভালো লিখতে পারেন,

সে ক্ষেত্রে অনার্স শেষ করার আগে কিন্তু টেকনিক্যাল কনটেন্ট রাইটার হিসেবে বিভিন্ন জায়গায় চাকরির জন্য আবেদন করতে পারবেন।

ক্যাম্পাস এম্বাসেডর বা অর্গানাইজেশন এর কাজ কি?

টেকনিক্যাল কনটেন্ট রাইটার হিসেবে আপনার সেলারি কেমন হতে পারে?

টেকনিকের কনটেন্ট রাইটিং আপনি যখন শুরু করবেন তখন আপনার সেলারি ২০ থেকে ২৫ হাজারের মত থাকবে।

কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এটি বাড়তে থাকবে এবং কয়েক বছর চাকরি করার পর আপনার সেলারি দুই থেকে আড়াই লক্ষ টাকা পর্যন্ত হতে পারে।

আর যদি আপনি ইন্টার্নশিপের মাধ্যমে শুরু করেন সেই ক্ষেত্রে আপনার ইন্টার্নশিপ পিরিয়ডে সেলারি আরো অনেকাংশে কম হতে পারে।

আরেকটি ব্যাপার হচ্ছে টেকনিক্যাল কন্টাকটার সিনিয়র পজিশনে আপনি কাজ করবেন তখন আপনার সেলফ অ্যাসেসমেন্ট এর জন্য আলাদা ইনটেনসিটি থাকবে।

আপনার বিভিন্ন ক্যাম্পেইনে আপনার ইন্সেন্টিভ পাবেন সেখান থেকে আমি ভালো এমাউন্ট ইনকাম করতে পারবেন।

কম্পিউটার সায়েন্স এ ভর্তিরপর যা যা ভুলেও করবেন না!

যদি আপনি টেকনিক্যাল কনটেন্ট রাইটার হিসেবে কাজ করেন তাহলে আপনার ফিউচার কি হতে পারে?

যারা টেকনিক্যাল কনটেন্ট রাইটার হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করে এদের অনেকেই পরবর্তীতে দেখা যায় ডিজিটাল মার্কেটিং এ বিভিন্ন সেক্টর রয়েছে।

সেখানে এর বাইরে ও বিজনেস ডেভেলপমেন্ট ডিপার্টমেন্ট এ টেকনিক্যাল কনটেন্ট রাইটার নেম অফার করার সুযোগ রয়েছে।

এছাড়াও অনেক সময় আমরা দেখে থাকি যে অনেক টেকনিকের রাইটার তারা কিন্তু ডেভলপমেন্ট ও করতে পারে।

যেহেতু সফটওয়্যার কোম্পানি কোম্পানিগুলোতে ইঞ্জিনিয়ারদের সঙ্গে কাজ করে কাজেই টেকনিক্যাল কনটেন্ট রাইটার দের কিন্তু সুযোগ রয়েছে।

তারা চাইলে যে কোন সেক্টরে যে কোন ডিপার্টমেন্টে সুইস করতে পারে পরবর্তীতে।

যদি আপনি টেকনিক্যাল কনটেন্ট রাইটার হতে চান তাহলে আপনার এখনই শুরু করতে পারেন।

যারা আমেরিকায় যেতে পারবে না!

কিভাবে শুরু করবেন টেকনিক্যাল কনটেন্ট রাইটিংঃ

টেকনিক্যাল কনটেন্ট রাইটার এক্ষেত্রে আপনি যে ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করবেন সেই ইন্ডাস্ট্রি সম্পর্কে বেসিক ধারণা নিয়ে নিবেন। তারপরে সেই ব্যাপার গুলো নিয়ে আপনি লেখা শুরু করবেন।

যখন আপনি লেখালেখিতে ইনফ্লুয়েন্ট হয়ে যাবেন তখন আপনার পোর্টফোলিও ভারী হয়ে যাবে।

তখন আপনি চাইলে সহজেই যে কোন কোম্পানিতে চাকরির জন্য অ্যাপ্লাই করতে পারবেন।

আর লেখালেখি করার জন্য সব সময় যে আপনার ওয়েবসাইটে দরকার রয়েছে এমনটি নয়,আপনি চাইলে মিডিয়াতে লিখতে পারেন।

ডেটা সায়েন্স,মেশিন লার্নিং এর ফিউচার কি?

লিংকডইনের দেখতে পারেন অথবা অনেক ব্লগিং সাইট রয়েছে সেখানে লেখালিখি করতে পারেন।

এভাবে লিখে লিখে কিন্তু আপনি আপনার পোর্টফোলিও ভাড়ি করতে পারেন।

এর পরও যদি আপনাদের কোন প্রশ্ন থেকে থাকে তাহলে অবশ্যই কমেন্ট বক্সে জানাতে ভুলবেন না। পাশাপাশি আমার ইউটিউব চ্যানেল করতে ভুলবেন না।

0Shares

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Close