যদি আপনি কোন বাচ্চাকে অথবা অন্য কাউকে কিস দিতে চান সেটি এবসুলেটলি ফাইন ব্যাপার। কিন্তু অনলাইন ক্লাসে দেয়াটা কি ঠিক?

লকডাউন শুরু হওয়ার পর থেকেই আমরা হাজার হাজার, প্রতিমুহূর্তে বিভিন্ন প্রকার ফেসবুক গ্রুপ, ফেসবুক পেজ, ইনভাইটেশন পাচ্ছি।

অনলাইন ক্লাসে শেষ মুহূর্তে গিয়ে একটি প্রশ্ন করার মাধ্যমে ক্লাস থেকে দশ পনের মিনিট এক্সটেন্ড করার ফলে আপনি কিন্তু আইনস্টাইন হতে পারছেন না।

আমরা যে পুরো বিশ্বকে ছাড়িয়ে যাওয়ার যে স্বপ্ন দেখছি, এই লকডাউন এর মধ্যে ক্লাস করার মাধ্যমে। সেই স্বপ্ন কিন্তু আমাদের পূরণ হবে।

গালিব নোটস এর নতুন একটি ব্লগে সবাইকে স্বাগতম জানাচ্ছি । আমরা অনেকদিন পরে নতুন একটি ব্লগ নিয়ে হাজির হয়েছি।

গালিব নোটস এই বল্গে আমরা সাধারণত বিভিন্ন ধরনের ভিডিও বানিয়ে থাকলেও আজকের এই ব্লগটি একটি স্পেশাল এপিসোড হতে যাচ্ছে।

বেশিরভাগ বিশ্ববিদ্যালয় কিন্তু তাদের কার্যক্রম অনলাইনে শুরু করে দিয়েছে।

কিন্তু এই অনলাইন ক্লাস নিয়ে আমার ব্যক্তিগত বেশ  কিছু  সাজেশন রয়েছে স্টুডেন্টদের জন্য।

তবে ব্লগের শুরুতে একদম ক্লিয়ার কাট বলে রাখছি এই ব্লগে

কোনভাবেই কোন ইউনিভার্সিটি, কোন কলেজ, কোন কোচিং সেন্টার বা  কোন ইনস্টিটিউট এর সঙ্গে অ্যাফিলিয়েট নয়

এবং একই সাথে এই ভিডিওর মাধ্যমে কোনোভাবেই স্টুডেন্টকে অনলাইন ক্লাস করার জন্য ডিসকারেজ করা হচ্ছে না

শুধুমাত্র আমার বিশ্বাস যে যদি স্টুডেন্টরা এই সাজেশন গুলো মেনে চলে তাহলে আমরা যারা অনলাইনে ক্লাস করছি সবার প্রডাক্টিভিটি অনলাইন ক্লাস এর প্রতি প্রডাক্টিভিটি অনেক বেশি বৃদ্ধি পাবে।

সেই জায়গা থেকে সাজেশন গুলো নিয়ে এসেছি গালিব নোটস এর পক্ষ থেকে।

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে অনলাইন ক্লাস নিয়ে প্রথম টিপসঃ

একেবারে প্রথম কথা হচ্ছে টিচিং নিয়ে। যদি আপনি কোন বাচ্চাকে অথবা অন্য কোন কিস দিতে চান সেটি এ্যাবসল্যুটলী ফাইন ব্যাপার।

   তবে স্টুডেন্টদের উচিত হবে কাউকে কিস দেয়ার আগে  মাইক্রোফোন টি বন্ধ করে রাখা। 

কারণ কিসিং সাউন্ড টা কিন্তু অনেকের জন্যই বেশ কষ্টের বিশেষ করে যাদের কিস দেয়ার মত কোন পারসন নেই

তাদের জন্য কিন্তু এই সাউন্ড টা ভীষণ কষ্টের।

তাই আপনারা যারা অনলাইন ক্লাসে বসে কাউকে কিস দিতে চান শুধুমাত্র কিস দেওয়ার আগে আপনার মাইক্রোফোন টি  মিউট করে রাখুন।

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে অনলাইন ক্লাস নিয়ে সেকেন্ড টিপ্সঃ

দ্বিতীয় সাজেশন হচ্ছে শুধুমাত্র ইয়েস স্যার বলার জন্য আপনার মাইক্রোফোনটি আনমিউট করে রাখবেন না।

একটা ব্যাপার মাথায় রাখবেন  রিপিটেডলি  ইয়েস স্যার,হ্যাঁ স্যর, ইয়েস স্যার বলার কারনে আপনার কিন্তু এক্সট্রা কোন ভ্যালু এড হবে না।

এবং বেশিরভাগ অনলাইন সফট্ওয়ারে কিন্তু ইয়েস স্যার এবং রাইস  হ্যান্ড এর অপশন রয়েছে।

তাই যদি আপনি আপনার টিচারের লেকচারের সাথে একমত হন তাহলে আপনি ইয়েস স্যার বাটনটি প্রেস করতে পারেন অথবা রাইট-হ্যান্ড বাটনটি প্রেস করতে পারেন।

শুধুমাত্র রিপিটেড লি আপনি যদি ইয়েস স্যার ইয়েস স্যার  বলেই যান সেটি কিন্তু অনলাইন ক্লাসে অন্যদের জন্য বিরক্তির কারণ হতে পারে।

তবে যদি আপনার টিচার কোনো কিছু জিজ্ঞাসা করে সেটি রেসপন্স করার জন্য ইয়েস স্যার আপনি বলতে পারেন।

শুধুমাত্র একটা বিষয় মাথায় রাখবেন যে রিপিটেডলি আপনি যদি ইয়েস স্যার ইয়েস স্যার বলেই জান আননেসেসারিলি ভাবে, সেটি কিন্তু অন্যদেরকে বিরক্তি করতে পারে

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে অনলাইন ক্লাস এ গ্রাম থেকে যারা যুক্ত হচ্ছেনঃ

যদি আপনি গ্রাম থেকে অনলাইন ক্লাসে যুক্ত হয়ে থাকেন সেটা কিন্তু এ্যাবসল্যুটলী ফাইন।

এমনকি আমি নিজেও গ্রাম থেকেই অনলাইন ক্লাস গুলো শুরু করে দিয়েছি।

তবে একটা বিষয় মেক সিওর করবেন, যখন আপনি অনলাইন ক্লাসে যুক্ত হবেন তখন যেন আপনার

গরু,গাধা,হাস,ছাগল, মুরগি যাই থাকুক না কেন সেগুলো আপনার থেকে দূরে থাকে

অথবা এটলিস্ট আপনি আপনার মাইক্রোফোন টি মিউট করে রাখুন যাতে করে আপনার ছাগল অথবা হাঁস মুরগি ডাকের শব্দগুলো ক্লাসের অন্য স্টুডেন্টদের বিরক্তি করতে না পারে

মাইক্রোফোন টিমিউট করে রাখলে আপনি কিন্তু কোন কনসেপ্ট থেকে বিচ্ছিন্ন হচ্ছেন না, আপনি কিন্তু ক্লাস থেকে বিচ্ছিন্ন হচ্ছেন না।

তাই কষ্ট করে যদি আপনি মাইক্রোফোন টিমিউট করে রাখেন তাহলে কিন্তু অন্যদের জন্য ক্লাসটা অনেক বেশি প্রডাক্টিভ হবে।

যদি আপনি অনলাইন ক্লাস করার জন্য আপনার ক্যামেরাটা চালু করতে চান সেটিও এ্যাবসল্যুটলী ফাইন।

শুধুমাত্র একটু চেক করে দেখবেন যে আপনার ইন্টারনেট স্পিড ঠিক আছে কিনা।

যদি আপনার ইন্টারনেট স্পিড ঠিক না থাকে, একটু কম হয় অথবা  আনস্টেবল হয় তাহলে কিন্তু আপনি যখন ভিডিও শুরু করবেন,যখন আপনি আপনার ক্যামেরা টি ওপেন করবেন তখন কিন্তু আপনার সাউন্ড ব্রেক করবে, আপনার ভিডিও ব্রেক করবে যেটি  ক্লাসের অন্যদের জন্য খুবই ডিস্টার্বিং হবে

তাই যদি আপনার ইন্টারনেট স্পিড ঠিক না থাকে অথবা আনস্টেবল হয় তাহলে আমার সাজেশন হচ্ছে,আপনি আপনার ভিডিওটি অফ করে ক্লাসে জয়েন করতে পারেন।

কিন্তু আপনি কোন প্রকার কনসেপ্ট থেকে বিচ্ছিন্ন হতে পারছেন না।

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে অনলাইন ক্লাস করার সময় বাসার সারভেন্ট দের ইনস্ট্রাকশন দিনঃ

অনলাইনে যে কোন ক্লাস শুরু করার আগে আপনি আপনার বাসার যে মেইন সার্ভেন্ট রয়েছে তাদেরকে পর্যাপ্ত ইনস্ট্রাকশন দিন।

যাতে করে ক্লাস চলাকালীন সময়ে আপনার বাসার মেইটদের কে কোন প্রকার ইনস্ট্রাকশন দিতে না হয়।

আপনি আপনার মাইক্রোফোন টি মিউট করে আপনি আপনার  বাসার যে মেইন সার্ভেন্ট রয়েছে তাদেরকে ইনস্ট্রাকশন দিতে পারেন।

এতে করে আপনি নিজেও যেমন  শান্তি মত আপনার বাসার মেইট দেরকে ইনস্ট্রাকশন দিতে পারবেন

আপনার ক্লাসের অন্যরাও কিন্তু মাইক্রোফোন থাকার কারণে আপনার ব্যক্তিগত আলোচনা থেকে রেহাই পাবে।

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে অনলাইন ক্লাস করার পরবর্তী পরামর্শ হচ্ছেঃ

আপনি অনলাইন ক্লাসে শেষ মুহূর্তে গিয়ে কোন প্রকার প্রশ্ন করবেন না। যদি আপনার কোন প্রশ্ন মাথায় এসে যায় ক্লাস লেকচার এর উপরে তাহলে আপনি আপনার টিচার কে পার্সোনালি বলুন।

অনলাইন ক্লাসের শেষ মুহূর্তে গিয়ে একটি প্রশ্ন করার মাধ্যমে ক্লাসটিকে দশ পনের মিনিট এক্সটেন্ড  করার ফলে আপনি কিন্তু আইনস্টাইন হতে পারছেন না।

আইনস্টাইন এর সমতুল্য আপনাকে কেউ মনে করছে না। বরং আপনার ক্লাসমেটরা এই শেষ মুহূর্তে প্রশ্ন করার জন্য প্রচুর বিরক্ত হচ্ছে। 

তাই বিরক্তিকর ব্যাপার থেকে রেহাই পাওয়ার জন্য আপনারা সবাই যারা অনলাইনে ক্লাস করছেন ক্লাসের শেষ মুহূর্তে গিয়ে যে কোন প্রকার প্রশ্ন করা থেকে বিরত থাকার চেষ্টা করবেন

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে অনলাইন ক্লাতিকরার পরবর্তী পরামর্শঃ

যদি আপনার ক্লাসের জন্য কোন মেসেঞ্জার গ্রুপ সেখানে কোন প্রকার আননেসেসারি মেসেজ দিবেন না

এই লকডাউন শুরু হওয়ার পর থেকেই আমরা হাজার হাজার প্রতিমুহূর্তে বিভিন্ন প্রকার ফেসবুক গ্রুপ ফেসবুক পেজে ইনভাইট পাচ্ছি।

এখন আপনি যদি ক্লাসের গ্রুপ গুলোতে আননেসেসারি মেসেজ দেন সেটি এত বেশি বিরক্তি তৈরি করে যেটি আপনি কল্পনাও করতে পারবেন না।

আপনি হয়তো মজা করার জন্য কোন একটি মেসেজ দিচ্ছেন কিন্তু আরেকজনের কাছে কিন্তু সেটি বিরক্তির কারণ হচ্ছে।

 তাই অনলাইন ক্লাস চলাকালীন সময়ে আপনার ইউনিভার্সিটির সাবজেক্ট রিলেটেড গ্রুপগুলোতে  অনুগ্রহ করে আননেসেসারি মেসেজ দেয়া থেকে বিরত থাকুন।

গালিব নোটস এর  আজকের বল্গে কেউ যদি কষ্ট পেয়ে থাকেন তাহলে আমি আন্তরিকভাবে দুঃখপ্রকাশ করছি।

আর এইরকম সাজেশন যদি আপনার মাথায় এসে থাকে তাহলে কমেন্ট বক্সে আমাদেরকে জানাতে পারেন।

আমরা সেই কমেন্টগুলো নিয়ে,আপনাদের সাজেশন নিয়ে  আরো একটি  পর্ব করার চেষ্টা করব  অনলাইন ক্লাসের সাজেশন এর উপরে। 

আবারও মনে করিয়ে দিচ্ছি এই ভিডিওর মাধ্যমে কিন্তু কোনভাবেই অনলাইন ক্লাস করতে ডিসকারেজ করা হচ্ছে না।

শুধুমাত্র এই পরামর্শগুলো আমার পক্ষ থেকে। আমি চিন্তা করেছি এবং আমার মনে হয় যদি এ পরামর্শগুলো মেনে চলেন

বিশেষ করে বিশেষ করে ক্লাস  চলাকালীন সময় টাতে মাইক্রোফোন মিউট করে রাখেন তাহলে কিন্তু  বেশিরভাগই স্টুডেন্ট বিরক্তি থেকে রেহাই পাবে।

যার ফলে আমাদের অনলাইন ক্লাস গুলো আরো বেশি প্রডাক্টিভ হবে, আমরা যে পুরো বিশ্বকে ছাড়িয়ে যাওয়ার স্বপ্ন দেখছি এই লকডাউন এর মধ্যে ক্লাস করার মাধ্যমে সেই স্বপ্ন কিন্তু আমাদের পূরণ হবে যদি আপনারা এই সাজেশন গুলো মেনে চলেন।

যেহেতু পুরো বিশ্বে করোনা ভাইরাসের মহামারী এখনও শেষ হয়নি তাই যথাসম্ভব ঘরের মধ্যে থাকার চেষ্টা করুন। আর যদি বাইরে যেতে হয় তাহলে পর্যাপ্ত সেফটি নিশ্চিত করার পরে যান।

নিজে সেফ থাকুন, আপনার পরিবারকে সেফ রাখুন। দেখা হবে পরের ভিডিওতে। ততক্ষণ পর্যন্ত ভাল থাকুন, সুস্থ থাকু্ন। এই প্রত্যাশায়,বিদায় নিচ্ছি। 

0Shares

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Close