ইন্টার্নশিপ বা ফ্রেস গ্র্যাজুয়েট জব পাওয়ার জন্য আমাদের ইউনিভার্সিটির প্রজেক্ট গুলা অনেক গুরুত্বপুর্ন ভুমিকা পালন করে থাকে। তবে আমাদের অনেকের অভিযোগ থাকে, ইউনিভার্সিটির সময়ে আলাদা করে প্রজেক্ট করার সময় কই?

বিশেষ করে যারা বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ে কম্পিউটার বিজ্ঞান সাবজেক্ট এ লেখা-পড়া করেন তাদের পরীক্ষা, এসাইনমেন্ট, প্রজেক্ট নিয়ে ব্যাস্ত থাকতে হয়। তার পর সোস্যাল হ্যাং-আউট, ফেজবুক, হোয়াটস এপ মিলে আলাদা সময় বের করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। আর যাদের স্পেশাল কেউ আছেন তাদের জন্য তো আলাদা সময় স্বপ্নের আরেক নাম।

ইন্টার্নশিপ খোজার শুরুতে আমরা একটা ভুল করে থাকি। সেটা নিয়ে বিস্তারিত জানতে পারেন রনি ভাই এর এই ব্লগে। দেখে আসতে ভুলবেন না।

এই ব্যাপারে আমরা কথা বলেছিলাম আমাদের মুশফিক রনি ভাই এর সাথে। ইউনিভার্সিটির প্রজেক্ট এর ব্যাপারে উনি আমাদের এমন কিছু অবাক করা প্ল্যান জানিয়েছেন, যেটা ফলো করলে আলাদা সময় লাগবে না, কিন্তু ভার্সিটি শেষ করতে করতে ৬-১০টা প্রজেক্ট হয়ে যাবে আপনারও। 

মুশফিকুর রহমান রনি ভাইয়া, এই মুহুর্তে ডি২ নামের একটি ক্রাউড সোর্সিং সফটওয়্যার কোম্পানিতে কর্মরত আছেন। মেইনলি ফুল-স্ট্যাক ডেভেলপেমেন্ট এ কাজ করে থাকেন। এর বাইরে পাইথন জ্যাজ্ঞো তে ব্যাক-এন্ড মানে রেস্ট এপিআই ডেভেলপ এবং রিএক্ট এ ফ্রন্ট এন্ড ডেভেলপ এর কাজও করে থাকেন। রনি ভাই এর ইনস্ট্রাকশন অংশ সরাসরি ফ্রাস্ট পার্সন এ ট্রানস্লেট করা হয়েছে।

আমরা যখন ইন্টার্নশিপ এ যাই বা এর চিন্তা শুরু করি তখন সময়টা মুলত থাকে দশম বা ১১তম সেমিস্টার। কিন্তু আমরা অনেক ভুল করি যেগুলা প্রথম থেকে দশম সেমিস্টার এ করা হয়। ইন্টার্নশিপ নিয়ে কথা বলার আগে, এই বিষয়ে কথা বলা ভালো।

যাতে করে, আমাদের কারেন্ট যে স্টুডেন্ট গুলা আছে তারা এই ভুল শুধরে নিতে পারে। তারা যাতে এগুলা যেনে, উপকার পায়। তবে বলে রাখি আবার, এই সব প্রত্যোকটি জিনিস হচ্ছে আমার নিজের ব্যাক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে বলা।

আমি সার্টিফাইডলি বা সিউরিটি দিয়ে বলে দিচ্ছি না, এটাই করা লাগবে। এটা আমার অভিজ্ঞতা, এই সিরিজ এ যা যা বলব সবই আমার অভিজ্ঞতা থেকেই বলা। চলুন শুরু করা যাক তাহলে,

প্রথমে যে অযুহাত আমাদের থাকে, সেটা সময় নিয়ে। নরমালি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রচুর প্রেশার থাকে। তাই আমি পড়া-শোনা করার যে সময়টা পেতাম, সেটাতে আমার টেস্ট, কুইজ, এসিয়ানমেন্ট এর শেষ করা যায় না। আমার তো এক্সট্রা কিছু করার বা শেখার সময় ই নাই।

তাহলে আমার কথা হচ্ছে, আমি কখন এগুলা করব? আলাদা স্কিল কিভাবে গ্যাদার করব বা নতুন প্রজেক্ট বানাবোই কিভাবে? সে ক্ষেত্রে, এই প্রশ্নের উত্তর কিভাবে দিতে পারি, সেটাই হচ্ছে আজকের ভিডিও এর মুল বক্তব্য।

এর উত্তর হচ্ছে, প্রথমত আপনি চিন্তা করেন, আপনার কাছে টাইম খুবই কম। আমি প্রথমে ধরে নিলাম, আপনার কাছে টাইম নেই, আপনি প্রায়ভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখা-পড়া করেন, প্রজেক্টস এর চাপ, এসাইনমেন্ট এর চাপ, ক্লাস টেস্ট, মান্থলি টেস্ট, টার্ম এক্সাম, সেমিস্টার ফাইনাল। সব মিলিয়ে আপনি সময় পাচ্ছেন না। ওকে, দ্যাটস ফাইন।

তাহলে এখন সমাধান কি? আমি আপনাকে কয়েকটি জিনিস বলব তাহলে আপনি বুঝতে পারবেন, আপনি আসলে টাইম পেয়েছিলেন। কিভাবে পেয়েছিলেন? আপনি যখন আন্ডার গ্র্যাজুয়েট কোমপ্লিট করেছিলেন তখন, সিএসই গ্র্যাজুয়েট হিসাবে মিনিমাম ৫টা থেকে ৬-৭টা প্রজেক্ট করতেই হয়।

আমার কথা হচ্ছে, এই প্রজেক্ট গুলো বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা করে থাকে, শুধু মাত্র কোর্স এ পাশ করার জন্য। আমরা কোর্স এ পাশ করার জন্য যতটুকু লাগে, তত-টুকু করে থাকি। টিচার রা যা যা চায়, সেই ফিচার্ড গুলোই আমাদের লক্ষ্য থাকে। কিন্তু এটা হওয়া উচিৎ নয়।

আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিৎ, সেলফ সেটিসফিকেশন। যতক্ষন না আমরা প্রজেক্ট নিয়ে নিজে স্যাটিস্ফাইড না হতে পারি, ততক্ষন আমি ওই প্রজেক্টস এ আরও বেশি ইনপুট দিয়ে যাবো।

আমাদের ইউনিভার্সিটি প্রজেক্ট গুলো কত দূর কাজ করা উচিৎ?

আমি যদি একটা এক্সাম্পল দেই, আপনি দশম সেমিস্টার এ আসতে আসতে আপনার হাতে মিনিমাম ৬টা এবং ম্যাক্সিমাম ১০টা একদম ফুল প্রজেক্টস থাকা পসিবল। সেটা কিভাবে?

আপনি ভার্সিটিতে যে প্রজেক্ট গুলো করবেন বা করছেন, সেগুলা শুধু মাত্র কোর্স এ পাশ করার জন্য করবেন না। তার থেকে, এভাবে করবেন যেন করার সময় মাথায় রাখবেন, এই প্রজেক্ট গুলো আপনি সিভিতে ইনক্লুড করবেন।

এর জন্য যা করা লাগবে তা হচ্ছে, আপনার স্যার আপনাকে যা যা রিকোয়ার্মেন্ট দিবে তার সাথে সাথে, আপনার নিজেরও তো বুদ্ধি আছে, সেন্স আছে। আপনি সেটা নিয়ে একটু রিসার্চ করেন। দেখেন প্রজেক্টস এ কি এডভান্স জিনিস যুক্ত করা যায়।

নরমালি টিচার রা বেসিক কিছু রিকোয়ারমেন্ট দেয়। যেমন ডেটা রাখলেন, তুলে নিয়ে আসলেন। প্রিন্ট করলেন রিপোর্ট। ডেটা পাস কুরতে পারলেন। আপনি যে ল্যাংগুয়েজ এ প্রজেক্ট করেন না কেন, সেটা সাধারণ এইচটিএমএল-সিএসএস বা অসাধারন গো ল্যাং, বা রুবি, সিসার্প, পাইথন যাই হোক না কেন। যাস্ট চিন্তা করেন, মুল প্রজেক্ট এ কিছু এডভান্স ফিচার এড করা।

কম্পিউটার সাইন্স প্রজেক্ট করার আলাদা সময় দরকার নেই দরকার স্মার্টনেস – গালিব নোটস

তার পর আপনি স্যার কে ওই আইডিয়া নিয়ে দেখান। টিচার কখনও না করবে না বরং বেশির ভাগ সময়ে উলটা এপ্রিশিয়েট করবেন। আমাদের দেশের বেশির ভাগ শিক্ষার্থী টিচাওরদের এপ্রচই করে না। চেষ্টাই করে না আলাদা কিছু করার।

আমি আমার আন্ডারগ্রেড লাইফে ম্যাক্সিমাম সময়ে সিনিয়র এবং টিচারদের সাথে মিশতাম। ডিপার্টমেন্ট এ টিএ ছিলাম। সে দিক থেকে আমি উনাদের কাছ থেকে শুনেছি যে, স্টুডেন্টরা চেষ্টাই করে না। টিচারদের সাথে আলোচনা করা, বক্সের বাইরে চিন্তা করার মত সময় ই নেই শিক্ষার্থীদের।

আমরা যারা সিনিয়র ছিলাম, আমরা দেখছি, একটা ব্যাচ থেকে সর্বচ্চ ২-৩ জন থাকে যারা শিখতে চায় আলাদা করে বা জানতে চায় কিছু। এই যায়গা থেকে সহজে বুঝা যাচ্ছে, আপনার সুযোগ ছিল, সময় ছিল কিন্তু কাজে লাগান নি।

আপনি যদি চালাকির সাথে কাজ করেন, তাহলে দশম সেমিস্টার এর পর আপনার হাতে ফুল ৬টা প্রজেক্টস থাকবে। আর এই প্রজেক্ট গুলো যে আপনাকে ইন্টার্ন এবং ফ্রেস জব পেতে কত হেল্প করবে চিন্তাও করতে পারবেন না।

প্রজেক্ট কিভাবে জব পেতে হেল্প করবে?

আমি যদি বলি কিভাবে হেল্প করবে জব পেতে তাহলে প্রথমত, আপনি যখন একটা ইন্টার্নশিপ এ আবেদন করেন, ভাইভা দেন বা সিভি সাবমিট করেন তখন ধরেন আপনি সিভি দিয়েছেন, জাভাস্ক্রিপ্ট এর কোন পজিশনের জন্য বা সিসার্প এর পজিশনের জন্য।

সেখানে, ব্যাপারটা এমন না যে, আপনার সব প্রজেক্টস ডটনেট এর লাগবে বা জাভাস্ক্রিপ্ট এর লাগবে। ইভালুয়েট করার সময় শুধু মুল ক্যাটাগরির প্রজেক্ট দিয়ে ইভালুয়েট করা হবে এমন নয়। ফ্রেস অবস্থায় ইভালুয়েট করার সময় দেখা হয়, আপনি কি কি কাজ করেছেন আগে।

ধরেন আপনি ডট নেট এর জবে এ, একটা ভালো পিএইচপি এর প্রজেক্ট দেখান, সেই জিনিসও কিন্তু বড় ইম্প্যাক্ট ফেলবে ইন্টারভিউ তে। সো আমরা যারা বলি টাইম পাচ্ছি না, কিভাবে শিখব, নতুন কিছু জানব কিভাবে?

নতুন কিছু শেখার দরকার নেই তো। আপনার কাছে এনাফ টাইম আছে। আপনাকে গ্রাজুয়েশন লাইফ এ যে যে জিনিস গুলা শেখানো হয়, সেগুলা যদি ভালো করে শিখেন আর এই প্ল্যান নিয়ে শিখেন যেন সিভিতে যুক্ত করতে পারেন, তাহলেই এনাফ।

এক্সট্রা কিছুর দরকার আছে তবে সময় না পেলে, যত টুকু আপনি গ্রাজুয়েশন লাইফ এ শিখছেন, সেটাই ভালো করে শিখুন। এত টুকু ভাল করে শিখলেই ফার বেটার। আর ইন্টারভিউ চালিয়ে নেয়ার জন্য এনাফ।

এর বাইরে যদি এক্সট্রা কিছু করেন, সেটা আপনার জন্য অনেক বড় প্লাস পয়েন্টস। সব থেকে মজার বিষয় হচ্ছে, আপনি যখন আপনার ইউনিভার্সিটির প্রজেক্ট গুলা মনোযোগ সহ করবেন তখন আপনার মধ্য একটা পজেটিভ ভাইভ চলে আসবে। দেখবেন আপনি এমনিতেই টাইম বের করে ফেলতেছেন নতুন প্রজেক্ট গুলো আলাদা ভাবে করার জন্য।

সুতরাং যারা এখন একবারে নতুন, ফ্রাস্ট-সেকেন্ড সেমিস্টার এ আছেন তারাও এখন চিন্তা করেন যে, ইউনিভার্সিটির প্রজেক্ট বা যে যে কাজ দেয়, যে সব শিখতে বলে, সেগুলা অবশ্যই মনোযোগ দিয়ে করবেন। এবং সেগুলা এমন ভাবে করেন, যেন মনে হয় আপনি সেগুলা সিভি তে দেখাতে পারবেন।

কি ধরনের প্রজেক্ট আমাদের সিলেক্ট করা উচিৎ?

আমি নিজে টিচিং এসিস্টেন্ট ছিলাম, আমি দেখেছি, আপনি যত খারাপ স্টুডেন্ট ই হন না কেন, আপনার মধ্য এই সেন্স আছে যে, এই প্রজেক্ট টি আপনি স্যার কে দেখানোর পর বা কোর্স শেষ হলে আর কাওকে দেখাতে পারবেন কি না।

এত টুকু একজন ডাম্প স্টুডেন্ট ও বুঝে। আমি যে একটা প্রজেক্ট দেখিয়ে পাশ করলাম, এটা রিইউজ করা যাবে না, এটার মধ্য সেই কোয়ালিটি নেই। এটা খুব সিম্পল বুঝা যায়।

সো ফাইনালি, নিজেকে ব্লেইম করেন। ইউনিভার্সিটি কে ব্লেম দিয়ে কোন লাভ নাই। ইউনিভার্সিটি আপনার টাকা নিবে, ইউনিভার্সিটি আপনাকে পড়াবে। কিন্তু ভার্সিটির কাজ এটা না যে, আপনাকে একটা চাকড়ি ধরিয়ে দিবে।

চাকড়ি পাওয়ার দায়িত্ব আপনার নিজের, আপনার নিজেকেই চাকড়ি পেতে হবে। তাই কাজও নিজেকেই করা লাগবে। ইউনিভার্সিটি আপনাকে চাপ দিবে, তারা সব কিছুই করবে কিন্তু এর মধ্যই আপনার স্মার্টলি টাইম বের করতে হবে।

সো, যেহেতু আপনার ইউনিভার্সিটির প্রজেক্ট গুলো করতেই হবে, এটাতে তো আপনার করার কিছু নাই। আপনি না করলে ফেইল করবেন, আপনাকে অবশ্যই করতে হবে।

তাহলে একটা প্রজেক্ট করার জন্য ৫ ঘন্টা টাইম দিলেন, মানে পুরো সেমিস্টার এ একটা প্রজেক্ট এ ৫ ঘন্টা টাইম দিয়ে স্যার কে পার করলেন কিন্তু কোন আউটপুট আসল না, তাহলে লাভ হবে না।

কিন্তু এই ৫ ঘন্টার সাথে সাথে যদি আর ১-২ ঘন্টা যুক্ত করে প্রজেক্ট টা ভালো এপ্রচ করে করেন তাহলে এই একই প্রজেক্ট এ স্যারও খুশি হত আবার আপনি এটা সিভিতেও যুক্ত করতে পারতেন। তাহলে এটাই কি ভালো হত না?

তাহলে আমরা যারা দশম সেমিস্টার এ আছি বা আরও সিনিয়র সময়ে চিন্তা করি, আমার হাতে সময় ছিল না কোন কিছু শেখার, আমরা আসলে ভুল চিন্তা করে থাকি।

প্রজেক্ট এর জন্য গ্রুপ মেম্বার সিলেক্ট করব কি ভাবে?

আরেকটা ব্যাপার আমি আপনাদের কে বলব যারা কারেন্টলি পড়া-লেখা করছেন তাদের জন্য, কখনও এমন গ্রুপ এ যাবেন না যে একজন আছে যেই সব কাজ করে ফেলে। এমন গ্রুপ এ যাবেন, যেন সবার চিন্তা থাকে, সব কাজ আমি করব। সবাই যেন সব কাজ করার জন্য পাগল হয়ে যায়।

কারন, একজন কে যখন করতে দেবেন, তার নিজের জন্য সে করে ফেলবে। তার শেখা হয়ে যাবে, আপনার কিন্তু কিছুই শেখা হবে না।

সো, টাইম নেই, টাইম পাই না, প্রায়ভেট ইউনিভার্সিটি, অনেক প্রজেক্টস এই সেই, এসব এক্সিউজ দিয়ে কোন লাভ নাই।

একবারে সংক্ষিপ্ত করে বললে, প্রথমত ভার্সিটির প্রজেক্ট গুলো সিভিতে যুক্ত করার এপ্রচ নিয়ে করুন যাতে সিভিতে যুক্ত করতে পারেন। এ ব্যাপারে টিচারদের সহায়তা পাবেন। দ্বিতীয়ত, ফ্রেস অবস্থায় সব প্রজেক্ট গুরুত্ব-পুর্ন, এবং ফাইনালি, গ্রুপ মেম্বার সিলেক্ট এ সতর্ক হন।

রনি ভাই এর একটা কথা আমি রিপিট করতে চাই, গ্রাজুয়েশন শেষ করার পর যদি আপনি জব না পান, তাহলে এর দায়ভার আপনার নিজেকে নিতে হবে। কিভাবে আপনার প্রজেক্ট বানাবেন আর সেগুলো কিভাবে সিভিতে যুক্ত করার উপযোগী করবেন সেটা ভিডিওতে বিস্তারিত বলা আছে।

এই ব্লগটি সিনিয়রদের থেকে জুনিয়র স্টুডেন্ট দের জন্য বেশি উপযগি। তাই আপনারা যারা এই ব্লগ পড়ছেন তারা বেশি করে সোস্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করবেন। এতে করে তারা উপকার পাবে।

যদি আপনার ফেলো স্টুডেন্ট রা ভালো করে, তাহলে আপনার শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান এর রেপুটেশন বাড়বে আর এতে করে ইন্ডাইরেক্টলি আপনার নিজের সার্টিফিকেট ভ্যালু বাড়বে। আর তাছাড়া সামান্য ফেজবুক শেয়ার এর মাধমে যদি আপনার বন্ধু উপকার পায়, তাহলে শেয়ার করতে ক্ষতি কি?

0Shares
Asadullah

Asadullah

মোঃ আসাদুল্লাহ গালিব, পেশায় একজন কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার এর শিক্ষার্থী আর নেশায় একজন কম্পিউটার বিজ্ঞানী। কম্পিউটার বিজ্ঞান এর অন্যতম ইমার্জিং এড়িয়া মেশিন লার্নিং, ড্ডিপ লার্নিং, বায়ো-ইনফরমেটিক্স নিয়ে কাজ করে থাকেন। এর বাইরে কম্পিউটার বিজ্ঞান, ক্যারিয়ার, ফ্রিল্যান্সিং এবং টেক উদ্যোগ নিয়ে লিখে থাকেন। তিনি নিজেও অনেক গুলো টেক ব্যাবসা এর সাথে সরাসরি জড়িত। গালিব নোটস মুলত ব্যাক্তিগত ব্লগ। বিল-গেটস এর ব্যাক্তিগত ওয়েব সাইট গেটস-নোটস এর নাম অনুসারে গালিব নোটস ব্লগের নাম-করন করা হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Close