কম্পিউটার সায়েন্স এ ভার্সিটি ম্যাটার করে? না করেনা? অবস্যই করে। তাহলে কি মিড লেভেল ইউনিভার্সটি থেকে ভালো ইঞ্জিনিয়া হওয়া যায় না! অবশ্যই যাবে।

এই ব্লগ বিস্তারিত পড়ার পর আপনারা যত খুশি গালাগালি করুন কারণ আমি  ইউনিভার্সিটি নিয়ে কথা বলেছি।

এখন অবস্থাটা এরকম হয়ে গেছে যে,

আমরা আমাদের নিজেদের ইউনিভার্সিটি নিয়ে কিছু একটা পজিটিভ না বললেই আমরা তাকে খারাপের খাতায় ফেলে দেই।

তো আপনারা এই  ব্লগটি বিস্তারিত পড়ার পরে যত বেশি গালাগালি করুন সমস্যা নেই,ইচ্ছামতো কমেন্ট বক্সে কমেন্ট করুন।

আমাদের এত বেকার কেন? জাভাস্ক্রিপ্ট চাকরি!

অবশ্য এই ব্লগের মাধ্যমে সবাইকে বিস্তারিত উত্তর দেওয়া হবে এর পরে চাইলে আপনি যেকোন কিছু বলতে পারেন।

কম্পিউটার সাইন্সের ক্ষেত্রে ভার্সিটি কোনভাবেই ম্যাটার করে না। যে কোন ভার্সিটি থেকে বাজে কোন প্লেস থেকে কোন একজন স্টুডেন্ট খুবই ভালো করতে পারে

এই কথাটি কম্পিউটার সাইন্সের অনেক স্টুডেন্ট রয়েছে যারা বলে থাকে। যারা আসলে মনে প্রাণে বিশ্বাস করে থাকে তারাই বলে থাকে।

সব ইউনিভার্সিটির মান কি সমান?

তাহলে আমরা কি বলতে পারি কম্পিউটার সাইন্স এর ক্ষেত্রে সকল ভার্সিটি এর মান সমান?

অথবা যে কোন ইউনিভার্সিটি থেকে কি আসলেই কম্পিউটার সায়েন্সের শিক্ষার্থীরা ভালো করতে পারে।

এই ব্যাপারগুলোই আজকে আমি আপনাদের সাথে ব্যাখ্যা করব।

আপনারা যারা কম্পিউটার সাইন্সে পড়াশোনা করতে চান অথবা কম্পিউটার সাইন্স নিয়ে পড়াশোনা করছেন উভয় প্রকার মানুষের জন্য এই ব্লগ টি কাজে আসতে পারে ।

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স জব খেয়ে দিবে?

এই ব্লগের মাধ্যমে আমি এক্সপ্লেইন করব,

আসলে কি কম্পিউটার সায়েন্সের স্টুডেন্টদের জন্য সকল ভার্সিটি এর ব্যাকগ্রাউন্ড সমান হয়?

আর যদি ব্যাকগ্রাউন্ড সমান না হয় তাহলে মধ্যম মানের খারাপ ইউনিভার্সিটিগুলোতে ভর্তি হয়েছেন, তাদের কি করনীয় রয়েছে।

একই সাথে আর যারা এই মুহূর্তে ভর্তি হতে চান তারা আসলে কিভাবে ইউনিভার্সিটি সিলেক্ট করবেন।

এবারে চলুন মূল ব্লগের বিস্তারিত শুরু করা যাক। তবে মুল ব্লগ শুরু করার আগে বলে রাখি যে,

বেসরকারি ইউনিভার্সিটিতে ভর্তির ক্ষেত্রে কিভাবে আপনি আপনার ডিসিশন মেক করবেন?

সে ব্যাপারে আমার চ্যানেলে ভিডিও রয়েছে সেই ভিডিওর লিংক আমরা এই লাইনে যুক্ত করে দিচ্ছি। আপনারা চাইলেই  এখান থেকে দেখে নিতে পারেন।

ইঞ্জিনিয়ারিং এ সবচেয়ে সহজ সাবজেক্ট কোনটি?

কম্পিউটার সায়েন্সে ভার্সিটি ম্যাটার করে?

কম্পিউটার সাইন্স এর ক্ষেত্রে ইউনিভার্সিটি ভ্যালু ক্যারি করে না বা ব্যাকগ্রাউন্ড ভ্যালু ক্যারি করে না এই কথাটি সম্পূর্ণ ভুল।

যদিও এই কথাটি অনেকেরই মানতে কষ্ট হবে। তারপরেও যুব সত্য কথাটি হচ্ছে কম্পিউটার সাইন্স এর ক্ষেত্রে অবশ্যই আপনার ভার্সিটি এর ব্যাকগ্রাউন্ড ম্যাটার করে।

তবে একটি আশার বাণী রয়েছে সেটি আপনাদেরকে একটু পরে বলি। তার আগে বলে ইউনিভার্সিটি কিভাবে ম্যাটার করে।

চলুন দুইজন সিমিলার মানের ক্যান্ডিডেট এর কথাই ধরা যাক,

ফর এক্সাম্পল ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি থেকে এপ্লাই করেছে,আরেকজন উগান্ডা লোকাল ভার্সিটি থেকে এপ্লাই করেছেন।

সেখানে কিন্তু ব্র্যাক ভার্সিটি এর ক্যান্ডিডেট অবশ্যই প্রায়োরিটি পাবে,উগান্ডার লোকাল অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি থেকে।

আরেকটি ব্যাপার হচ্ছে যখন আপনি ভালো একটি ইউনিভার্সিটি থেকে,টপক্লাস ইউনিভার্সিটি থেকে আপনার গ্রাজুয়েশন শেষ করছেন ।

আপনার কনফিডেন্স তেমন ভালো পাচ্ছেন তেমনি আপনি বড় বড় প্রতিষ্ঠান অ্যালামনাইয়ের মাধ্যমে লিঙ্ক অ্যাপের মাধ্যমে আপনি কিন্তু সহজেই ইন্টারভিউ দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন।

চাকরির বাজারে সিজিপিএর গুরুত্ব কতটুকু?

কমপিউটার সায়েন্সে বাস্তব অভিজ্ঞতা কি বলে?

আবার ইন্টারভিউয়ের পার্সপেক্টিভ থেকে যদি বলি,

যখন আমরা সিমিলার মানের কোনো ক্যান্ডিডেট পেয়ে থাকি তখন আমরা দেখি যে কোন স্টুডেন্ট ভালো মানের ইউনিভার্সিটি থেকে পাস করেছি। তাকে কিন্তু আমরা গ্র্যাব করার চেষ্টা করে থাকি। 

এখন আপনি হয়তো আমাকে প্রশ্ন করবেন,

তাহলে যে খারাপ ইউনিভার্সিটি থেকে যারা পড়াশোনা করেছেন বা পিছিয়ে পড়া ইউনিভার্সিটি থেকে যারা পড়াশোনা করছে তারা কিভাবে সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং চাকরি পাচ্ছে ?

ইঞ্জিনিয়ারিং এ জব অপারচুনিটি কেমন?

দেখুন কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং হচ্ছে এমন একটি সাবজেক্ট যেখানে প্রচুর অপারচুনিটি রয়েছে।

এখানে জব অপেনিংস এর প্রচুর অপারচুনিটি রয়েছে। প্রত্যেকটা কোম্পানি তে প্রচুর কর্মী অপারচুনিটি রয়েছে।

এখন টপ ক্লাস ইউনিভার্সিটিগুলোর রয়েছে সেখান থেকে যে স্টুডেন্টদের হয় সেটি কিন্তু সংখ্যায় খুবই নগণ্য। যেটি ইন্ডাস্ট্রির তুলনায় ইন্ডাস্ট্রির চাহিদার তুলনায় অনেক কম। 

এখন একদিকে তো টপক্লাস ইউনিভার্সিটি সংখ্যা খুবই কম আবার সেখান থেকে যারা বের হয় তার সিংহভাগ দেশের বাইরে চলে যায়।

দেশে যারা থাকে তাদের কিন্তু দেশের বড় কোম্পানিগুলো নিয়ে নেয়। 

স্টার্টআপ টাইপের কোম্পানিগুলো কিন্তু এই ধরনের ভালো স্টুডেন্টদেরকে গ্রাব করতে পারে না কারণ টপক্লাস কোম্পানিগুলো তাদের কে নিয়ে নেয়।

স্টার্টআপ টাইপের অনেক কোম্পানি রয়েছে তারা কিন্তু এই স্টুডেন্টদেরকে সহজে গ্রেব করতে পারেনা অথবা সহজেই এমপ্লোয়ি হিসেবে পায় না। 

যে কারণে তারা বাধ্য হয়েছে সেমি মিড লেভেল বা বা পিছিয়ে পড়া ইউনিভার্সিটিগুলো থেকেও স্টুডেন্ট নিয়ে এই ঘাটতি মোকাবেলা করতে হয়।

রিমোট জব কি ভালো নাকি খারাপ?

টপ ক্লাস ইউনিভার্সটিতে পরে লাভ কোথায়?

আপনিতো তাহলে আমাকে আবারো প্রশ্ন করবেন যে,

কোয়ালিটি না থাকলে হিসাব হবে যারা টপ ক্লাস ইউনিভার্সিটি তে পড়াশোনা করেছে তারা?

ডেফিনেটলি কোয়ালিটি না থাকলে কারোরই লাভ হবেনা।

তবে যদি আপনার সেম কোয়ালিটি না থাকে তাহলে যারা টপ ইউনিভার্সিটি তে পড়াশোনা করেছে তাদের প্রচেষ্টা বেশি থাকবে।

এবার ধরুন আপনি একটা পিছিয়ে পড়া অথবা মিড লেভেল ইউনিভার্সিটি তে ভর্তি হয়েছেন।

বড় ভার্সিটি এর সাথে মিড লেভেলে পড়লে পার্থক্য কোথায়?

কম্পিউটার সাইন্স এমন একটি সাবজেক্ট যেখানে নিজে চেষ্টা করার মাধ্যমে অনেকটাই গ্যাপ রিডিউস করতে পারবেন।

ফর এক্সাম্পল ধরেন আপনার কোন একটি ফ্রেন্ড বড় একটি ইউনিভার্সিটি তে পড়াশোনা করছেন।

তার যে পরিবেশ রয়েছে সেই পরিবেশের কারণে কম্পিউটার কি কি প্রোগ্রামিং করতে পারছে বা বিভিন্ন কন্টেস্ট অ্যাপ্লাই করতে পারছেন বা বিভিন্ন  কনটেস্ট করতে পারছে।

এখন পিছিয়ে পড়া ইউনিভার্সিটির স্টুডেন্ট হিসেবে আপনি এরকমভাবে ইনভারমেন্ট পাচ্ছেন না বা কনটেস্ট প্রোগ্রামিংয়ে পার্টিসিপেট করার সুযোগ পাচ্ছেন না।

কিন্তু আপনার জন্য সুযোগ রয়েছে যে অনলাইনে প্লাটফর্ম গুলোতে পার্টিসিপেট করার মাধ্যমে আপনার যে কোয়ালিটি রয়েছে সেটি এক্সপ্রেস করতে পারবেন।

আবার ধরেন আপনার ইউনিভার্সিটির হয়তো ভালো কোন অ্যালামনাই এসোসিয়েশন নেই বা বড় কোম্পানিগুলোতে আপনার ইউনিভার্সিটির কোন অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন নেই।

বা ধরেন আপনার ইউনিভার্সিটি খুবই নতুন একটা ইউনিভার্সিটি।

কোনটা আপনার জন্য? সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং এবং নেটওয়ার্ক ইঞ্জিনিয়ারিং

মিড লেভেলে পড়ে কোথায় ইম্প্রুভ করবেন?

এরপরেও আপনি কিন্তু খুব হাই কুয়ালিটি এক্সপ্রেস করে বিভিন্ন অনলাইন প্লাটফর্ম গুলোতে বা অনলাইন প্রজেক্টে অংশগ্রহন করতে পারেন।

এভাবে আপনি যদি আপনার কোয়ালিটিটা এক্সপ্রেস করতে পারেন আপনার চান্সেস রয়েছে আপনি কিন্তু বড় কোম্পানিগুলোতে জবে ঢুকতে পারবেন।

এইযে আপনি একটা পিছিয়ে পড়া ইউনিভার্সিটি তে ভর্তি হয়েছেন এর জন্য সামান্য ডিজ ডিজ এডভান্টেজ পাবেন, সামান্য গ্যাপ আপনার হয়েছে সেটি কিন্তু আপনার রিডিউস করার সুযোগ রয়েছে।

আমরা প্রায়ই দেখি যে অনেকে ইউনিভার্সিটি রয়েছে। অনেক নাম-না-জানা ইউনিভার্সিটি রয়েছে।

এমন কিছু ইউনিভার্সিটি রয়েছে সেখান থেকে আমরা কখনোই আশা করি না এক দুইজন স্টুডেন্ট বা দুইজন স্টুডেন্ট গুগোল ফেসবুকের মত বড়  জায়ান্ট কোম্পানিগুলোতে জয়েন করছে।

তারা কিন্তু এটি নিজে নিজে শিখেছে,তাদের ইউনিভার্সিটির যতটুকু অবদান রয়েছে তার থেকে বেশি ক্রেডিট রয়েছে তাদের নিজেদের।

এরকম ভাবেই লোকাল অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি গুলোর কিন্তু অনেক ভাব নিয়ে থাকে আদতে কিছুই পারে না।

ভালো করার পেছনে ক্রেডিট কার? আপনার নাকি ইউনিভার্সিটির

তারপরেও সেখানকার অনেক স্টুডেন্ট রয়েছে তারা কিন্তু খুবই ভালো করছে। তারা ভালো করছে।

তাদের ভালো করার পেছনে তাদের নিজস্ব ক্রেডিট রয়েছে। স্টুডেন্ট এর ক্রেডিট রয়েছে এখানে কিন্তু ইউনিভার্সিটির কোন ক্রেডিট।

তাই আপনি যদি মিড অথবা সেমি মিড লেভেল বা পিছিয়ে পড়া কোন ইউনিভার্সিটি তে ভর্তি হয়ে যান।

আপনি নিজে চেষ্টা করে অনেক বড় প্রতিষ্ঠান যেতে পারবেন এই সুযোগটুকুও কম্পিউটার সায়েন্সে রয়েছে।

আর এই সুযোগটাকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে অনেক ব্যবসায়ী রয়েছে আর সিনিয়র রয়েছেন যারা না বুঝে বা বুঝে হোক বলে থাকে কম্পিউটার সাইন্স ইউনিভার্সিটি কোন ভাবে ম্যাটার করে না।

ডেফিনেটলি ম্যাটার করে কিন্তু আপনার সামনে সুযোগ রয়েছে এই গ্যাপ রিডিউস করার জন্য এবং তার জন্য আপনাকে ইউনিভার্সিটি ডিপেন্ডেন্ট হতে হচ্ছে না।

এই মুহূর্তে আপনি যদি টপক্লাস কোন ইউনিভার্সিটির স্টুডেন্ট হয়ে থাকেন তাহলে আপনার কাজ হবে আরও ভালোমতো শেখা।

আপনার জন্য যে অপারচুনিটি গুলো রয়েছে তা সঠিকভাবে ইউটিলাইজ করা।

নিজেকে যেভাবে তৈরি করবেন

আর আপনি যদি মিড অথবা সেমি মিড লেভেল বা লোয়ার লেভেল ইউনিভার্সিটি ভর্তি হয়ে যান সে ক্ষেত্রে আপনার হতাশ হওয়ার কোনো কারণ নেই।

আপনার উচিত হবে এই যে গ্যাপ রয়েছে এই গ্যাপ্টুকু রিডিউস করার জন্য কাজ করা। 

আপনাদের রেগুলার পড়াশোনা করতে হবে। রেগুলার ট্রাই করে যেতে হবে পাশাপাশি অন্যদের থেকে একটু বেশি বেশি চেষ্টা করতে হবে।

যাতে করে আপনার ইউনিভার্সিটির যে গ্যাপটুকু রয়েছে সেটি আপনি আপনার ক্যারিয়ারের উপরই  ইফেক্ট না পরে।

তাহলে কোন লেভেল ইউনিভার্সটিতে ভর্তি হবেন?

যদি আপনি এই মুহূর্তে কম্পিউটার সায়েন্স ইঞ্জিনিয়ারিং ইউনিভার্সিটি তে ভর্তি হওয়ার জন্য চিন্তা-ভাবনা করে থাকেন তাহলে আপনার উচিত হবে,

প্রথমত চেষ্টা করার যে টপক্লাসের ইউনিভার্সিটির সেগুলোর একটাতে ভর্তি হয়ে যাও।

আর যদি সেগুলোতে ভর্তি না হওয়া যায় এটলিস্ট ভালো মানের যেকোনো একটি ইউনিভার্সিটি তে ভর্তি হওয়া।

শেখার মত,জানার মত,কোনভাবে আপনার লোকাল অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির মধ্যে ইউনিভার্সিটি তে ভর্তি হওয়া উচিত নয়।

আরেকটি ব্যাপার হচ্ছে আমি সবসময় স্টুডেন্টদের ডিসকারেজ করি যে আপনার লোয়ার লেভেল বা একেবারে যে পিছিয়ে পড়া ইউনিভার্সিটিগুলোর রয়েছে সেগুলোতে কম্পিউটার সায়েন্সে ভর্তি হওয়া না হওয়া।

কারণে ইউনিভার্সিটিগুলো কিন্তু মাত্র শুরু হয়েছে। আপনার যদি খুব স্ট্রং স্ট্যামিনা না থাকে তাহলে কিন্তু আপনার এই ইউনিভার্সিটিগুলো থেকে কম্পিউটার সাইন্সে ভালো করার সম্ভাবনা খুবই কম।

ব্যাক্তিগত কিছু কথাঃ

এখন এই ব্লগ পড়ার পর কমেন্ট বক্সে আপনাদের যত খুশি গালাগালি করার দরকার করুন যেহেতু আমি ইউনিভার্সিটি নিয়ে কথা বলেছি

এখন অবস্থাটা এরকম হয়ে গেছে যে আমরা আমাদের নিজেদের ইউনিভার্সিটি একটু কিছু নেগেটিভ বললে, পজিটিভ বিষয় না বললে খারাপের খাতায় ফেলে দেই।

তো বিস্তারিত পড়ার পরে আপনারা যত খুশি কমেন্ট বক্সে বলে ফেলতে পারেন। অবশ্যই আপনার কমেন্টের রিপ্লাই দেওয়া হবে ধীরে সুস্থে হলেও।

ইউনিভার্সিটির কোয়ালিটি নিয়ে এই ছিল আজকের বিস্তারিত আলোচনা এর পরও যদি আপনাদের কোন কিছু জানার থাকে তাহলে অবশ্যই কমেন্ট বক্সে জানাতে ভুলবেন না।

0Shares

One thought on “কম্পিউটার সায়েন্স এ ভার্সিটি ম্যাটার করে?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Close