আমাদের দেশের মোস্ট ডিমান্ডেড সাব্জেক্ট ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার আগে যা যা জেনে রাখতে হবে!

অনেকেই আমার কাছে জানতে চান যে অনার্স লেভেলে কোন সাবজেক্টে পড়া উচিত?

এই ব্লগের বিস্তারিত এর শুরুর দিকে আমি ইঞ্জিনিয়ারিং এর বেসিক কিছু কথা বলব। তারপরে আমি কথা বলবো যে আপনার জন্য ইঞ্জিনিয়ারিং পড়া উচিত হবে কিনা?

বিশেষ করে ইঞ্জিনিয়ারিং সাবজেক্ট গুলো নিয়ে বেশি প্রশ্ন থেকে থাকে।

যেহেতু আমি কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং এবং অন্যান্য ইঞ্জিনিয়ারিং সাবজেক্ট নিয়ে বেশি কথা বলে থাকি।

অনেকে বলে থাকেন যে আমি ইংরেজি পারিনা, প্রোগ্রাম পারি না পারি, বা ম্যাথ ভালো পারিনা তাহলে আমার কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং পড়া উচিত কিনা।

অভিজ্ঞতা ছাড়াই চাকরি পাওয়া যায় যেভাবে!

এখন আজকে ব্লগে আমি মেইনলি কথা বলবো ইঞ্জিনিয়ারিং পড়াশোনা আপনার জন্য হবে উচিত হবে কিনা।

যারা আপনারা কম্পিউটার সাইন্স  পড়ালেখা করতে চান তাদের জন্য আমি আরেকটি ডেডিকেটেড ব্লগ লেখার চেষ্টা করব। সেখানে আমি বিস্তারিত লেখার চেষ্টা করবো যে আপনাদের জন্য কম্পিউটার সাইন্স নিয়ে পড়াশোনা করা উচিত হবে কিনা

অথবা আপনি যদি আসলে পড়তে চান তাহলে আপনাকে আপনার দুর্বল বিষয়গুলো নিয়ে কিভাবে ওভারকাম করতে হবে।

শিখবেন কোন ট্রেনিং সেন্টার থেকে?

এটি কোন সহজ সাব্জেক্ট নয়ঃ

ব্লগের একেবারে শুরু থেকেই আমি একটা কথা বলতে চাই, সেটি লেখার পরে কমেন্ট বক্সে অনেকেই আপনার আপনার বংশের পরিচয় দেওয়া শুরু করবেন।

অনেকেই আমাকে বলবেন আমি ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে সবসময় কেন নেগেটিভ কথা বলি।

তবে এই কথাটি বাস্তব সত্য বিধায় আমাকে বলতেই হবে। আর এই কথাটি হচ্ছে ইঞ্জিনিয়ারিং কোন সহজ সাবজেক্ট নয়।

আপনি যে কোন ইঞ্জিনিয়ারিং সাবজেক্ট পড়ুন না কেন,আপনি যে ইঞ্জিনিয়ারিং সাবজেক্টে এই যান না কেন।

অবশ্যই সেখানে আপনাকে পরিশ্রম করে পড়াশোনা করতে হবে,পরিশেষে আপনাকে সেটি এচিভ করতে হবে।

কম্পিউটার সায়েন্স এ ভার্সিটি ম্যাটার করে?

ইঞ্জিনিয়ারিং সহজ কারা বলেঃ

অনেকেই আপনাদেরকে পরামর্শ দিয়ে থাকবে যে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়াশোনা খুবই সহজ। তাহলে তারা কিভাবে সহজ বলছে সেটা ব্যাপারে একটু পরে আলোচনা করে।

তার আগে আমি আপনাদেরকে একটা কথা বলে রাখি যে আমাদের দেশের ৪৭ থেকে ৫০ পার্সেন্ট গ্রাজুয়েট কিন্তু বেকার থেকে যায়।

আর এই যে এডুকেটেড বেকার পার্সোনাল রয়েছে,এর মধ্যে একটা বিরাট অংশ ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রিধারী।

আমাদের এত বেকার কেন? জাভাস্ক্রিপ্ট চাকরি!

কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং এর এই সাবজেক্ট সবার জন্য প্রযোজ্য নয়

একটা সত্য কথা হচ্ছে ইঞ্জিনিয়ারিং সাবজেক্টের সবার জন্য প্রযোজ্য নয়!

আপনি যদি ইগনোর করেন,আপনার যদি প্রয়োজন না হয় তারপরও যদি ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ে একটা বিএসসি ডিগ্রি হবে তাহলে আপনি আদতে কোন ইঞ্জিনিয়ারিং করতে পারবেন না।

এ অবস্থায় আপনার ডিগ্রী থাকার পরেও আর আপনার যদি জবে থেকে থাকে তাহলে দেখা যাবে সারা জীবনেও আপনি আপনার জব ইনজয় করতে পারবেন না।

আপনার জব প্লেস আপনার কাছে ডিজাস্টার মনে হবে।

কাজেই আপনার জন্য যদি ইঞ্জিনিয়ারিং প্রযোজ্য না হওয়ার  পরেও যদি আপনি পড়েন। আপনি ডিগ্রিধারী পারসন হলেও আপনি ইঞ্জিনিয়ারিং করতে পারবেন না।

কারণ আমি আগেই বলেছি ইঞ্জিনিয়ারিং সাবজেক্টের সবার জন্য নয়।

প্রথমে আমি বলেই দিয়েছি ইঞ্জিনিয়ারিং যত সাবজেক্ট রয়েছে তার মধ্য কঠিন সাবজেক্ট ইঞ্জিনিয়ারিং।

এই সাবজেক্টে সবার জন্য নয়, এটা বলার পরে আপনারা চাইলেই কমেন্ট বক্সে বংশের পরিচয় দেয়া শুরু করতে পারেন।

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স জব খেয়ে দিবে?

কম্পিউটার সাইন্স ইঞ্জিনিয়ারিং কেনো সহজ সাব্জেক্ট বলেন অনেকঃ

ততক্ষণে আমি একটু ব্যাখ্যা করছি যে অনেকে বলে থাকেন ইঞ্জিনিয়ারিং খুব ইজি তারা আসলে কিভাবে বলছেন।

দেখুন ইঞ্জিনিয়ারিং যারা আসলে ইনজয় করে তাদের জন্য কিন্তু ইঞ্জিনিয়ারিং সাবজেক্টের অনেক সহজ।

যেহেতু তারা জিনিসটি খুব সহজেই বুঝতে পারছে,চিন্তা করছ অন্যদের জন্য হয়তো সহজ হবে।

তাই অনেকেই অনেক সময় বলে থাকেন যে ইঞ্জিনিয়ারিং সাবজেক্ট কি অনেক সহজ।

ইঞ্জিনিয়ারিং এর সাবজেক্ট ওই ভাই ইঞ্জিনিয়ারিং এর যে সেক্টরে উনি কাজ করছেন ওই সেক্টরটি তার কাছে সহজ হলেও আপনার জন্য সহজ নাও হতে পারে।

কাজেই আপনি এ ধরনের কথা শুনে ইঞ্জিনিয়ারিং সাবজেক্ট এ ভর্তির কথা আগেই ভেবে বিবেচনা করুন যে আসলেই আপনার জন্য ইঞ্জিনিয়ারিং প্রযোজ্য কিনা।

যেহেতু আমাদের দেশে অনেক প্রতিষ্ঠান রয়েছে এবং বিদেশে অনেক প্রতিষ্ঠান রয়েছে তাই আপনারা চাইলেই যেকোনোভাবে এ সাব্জেক্ট সাবজেক্টের কিন্তু ভর্তি হতে পারেন।

ইঞ্জিনিয়ারিং এ সবচেয়ে সহজ সাবজেক্ট কোনটি?

ইঞ্জিনিয়ারিং ক্যারেক্টারস্টিক্স দেখে আপনার অবস্থা বিবেচনা করুনঃ

তবে আমি আপনাদেরকে এ সাব্জেক্টে এর কিছু ক্যারেক্টারস্টিক্স শেয়ার করার চেষ্টা করছি।

সেগুলোর মধ্যে যদি আপনি থাকেন বা এগুলোর বাইরে যদি আপনি থাকেন তাহলে ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পড়াশোনা করার ব্যাপারটা পুনরায় বিবেচনা করতে পারেন।

চলুন সেগুলো একা করে ব্যাখ্যা করি। প্রথম আপনাদেরকে লিস্ট জানিয়ে দিচ্ছি ,

যদি আপনি এ সাব্জেক্টে পড়তে চান তাহলে সবার প্রথমে,

আপনার দরকার হবে পরিশ্রম করা বা পরিশ্রম করার সখ্যতা বা ইচ্ছা। অর্থাৎ আপনাকে পরিশ্রমী একজন মানুষ হতে হবে। 

এরপরে আপনাকে

সেফ লার্নার হতে হবে। ডিসিশন মেকার হতে হবে। এক্সিকিউট করার সক্ষমতা থাকতে।

অর্থাৎ আপনাকে শুধুমাত্র ডিসিশন মেকার হলে চলবে না সেগুলো এক্সিকিউট করার মতো এবিলিটি থাকতে হবে এবং একইসাথে ইচ্ছা টাও থাকতে হবে।

এবং ফাইনালি আপনার ব্যাকগ্রাউন্ড রাখতে হবে।

এগুলো নিয়ে টপিক বাই টপিক আমরা কথা বলব তার আগে বলে রাখি যে,

এর বাইরেও অনেকগুলো বিষয় রয়েছে যেগুলো আপনি ক্রিটিক্যালি চিন্তা করলে সেগুলো হয়তো বিবেচনা করতে পারেন।

যেহেতু আমি মেজরিটি পারসোন এর জন্য ব্লগ লিখি তাই আমি লিস্ট ছোট করার চেষ্টা করছি। যেগুলো একেবারে এসেনশিয়াল সেগুলো নিয়ে কথা বলার চেষ্টা করছি।

অনেকেই বলে থাকেন যে এ সাব্জেক্টে খুবই সহজ সাবজেক্ট এবং সহজ সাবজেক্ট নয় সেটি আমি একেবারেই পিওর ভাবে প্রথমে বলে দিয়েছি।

রিমোট জব কি ভালো নাকি খারাপ?

কম্পিউটার সাইন্স ইঞ্জিনিয়ার হতে হলে লাগবে একটিভ থাকাঃ

যদি আপনি ইঞ্জিনিয়ার হতে চান তাহলে আপনাকে পরিশ্রম করতে হবে,আপনাকে এটি অ্যাচিভ করে নিতে হবে।

এর পাশাপাশি আপনাকে অবশ্যই রেগুলার পড়াশোনা করতে হবে এবং কাজ কর্ম শিখতে হবে, স্কিলস অর্জন করতে হবে।

যদি আপনি লেজি পারসন হন তাহলে আপনার জন্য বিগ নো। এ সাব্জেক্টে ইজ নট ফর ইউ ইফ ইউ আর এ লেজি পারসন। 

কোনটা আপনার জন্য? সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং এবং নেটওয়ার্ক ইঞ্জিনিয়ারিং

জায়ান্ট কোম্পানি যাদের হায়ার করেঃ

অনেকে বলে থাকেন,আমরা একটা এক্সাম্পল দেই যে ইঞ্জিনিয়ারিং ইন্ডাস্ট্রি সবসময় লেজি পারসন কে হায়ার করতে পছন্দ করে।

দেখুন আপনি যদি মাইক্রোসফটকে জব করতে চান এর জন্য আপনাকে অনেকগুলো রাউন্ড পার করে যেতে হবে।

বিভিন্ন যে টেস্ট রয়েছে সেগুলো পার করে তারপরে যেতে হবে।

তারপরে আপনি যদি ফাইনাল ইন্টারভিউতে সিলেক্ট হয়ে তারপরে যদি আপনি লেজিনেস দেখান সেটি আপনার জন্য উচিত হতে পারে।

যদি তার আগেই আপনি আপনার লেজিনেস দেখিয়ে ফেলেন কোনভাবেই আপনি ইন্ডাস্ট্রিয়াল লেভেল পার করতে পারবেন না।

কাজেই বিল গেটস লেজি পারসন দের হায়ার এই কুয়েটের উপর মোটিভেটেড হয় লেজি পারসন হিসেবে যদি আপনি ইঞ্জিনিয়ার হতে চান,সেটি আপনার জন্য ভুল সিদ্ধান্ত হতে পারে

মনে রাখবেন সবসময় ইঞ্জিনিয়ার হতে হলে আপনাকে অবশ্যই সব সময় পরিশ্রমই হতে হবে।

যদি আপনি ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে চান সে ক্ষেত্রে  সেফ লার্নার হতে হবে। 

চাকরির বাজারে সিজিপিএর গুরুত্ব কতটুকু?

ইউনিভার্সিটি কি আপনাকে প্রগামিং শেখাবে?

আমি কম্পিউটার সাইন্স এর এক্সাম্পল বুঝিয়ে দিচ্ছি।

একটা মজার ব্যাপার রলি হাতেগোনান টপ চার-পাশটা ইউনিভার্সিটি বাদে বাদ বাকি যেকোনো ইউনিভার্সিটি তে যদি কম্পিউটার সায়েন্স বা এ ধরনের কোন সাবজেক্টে ভর্তি হন।

দেখা যাবে আপনি আপনার ইউনিভার্সিটি তে ৫০ থেকে ৮০ হাজার টাকা সেশন চার্জ দেওয়ার পর প্রোগ্রামিং শেখার জন্য আপনাকে ইউটিউবে যেতে হবে।

এবং এগুলো নিয়ে আপনি কমপ্লেইন করার জায়গা পর্যন্ত পাবেন না।

ইউনিভার্সিটি থেকে আপনাদেরকে সরাসরি বলা হবে যে ভাই আপনাদের প্রোগ্রামিং শেখানোর দায়িত্ব তো আমরা নিয়ে বসি নি

একই সাথে এটাও বলবে যে আমরা তো আপনার চাকরি পাওয়ার নির্ভরতার নিয়ে দায়িত্ব নিয়ে বসে থাকেনি।

কিন্তু যখন আপনি ভর্তি হতে যাবেন,ভর্তির বিজ্ঞাপনে কিন্তু অনেক চোখ ধাঁধানো বিজ্ঞাপন দেখবেন,অনেক কথা শুনবেন।

বাট বাস্তবতা হচ্ছে ইউনিভার্সিটিগুলোতে ৫০ থেকে ৮০ হাজার টাকা সেমিস্টার ফি দেওয়ার পরে প্রোগ্রামিং শেখার জন্য আপনাকে যেতে হবে বিভিন্ন অনলাইন প্লাটফর্মে।

কাজেই আপনি যদি সেলফ লার্নার না হন তাহলে এ সাব্জেক্টে ফিরে আসাটা আপনার জন্য খুবই মুশকিল হয়ে উঠবে।

ইউনিভার্সিটি ডিগ্রী বেজড করে আপনি বেশি দূর এগোতে পারবেন না।

তবে যদি আপনি টপলেভেল ইউনিভার্সিটির ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির মত ইউনিভার্সিটি তে ভর্তি হন তাহলে ব্যাপারটি ভিন্ন হতে পারে।

কম্পিউটার সাইন্স ইঞ্জিনিয়ারিং এ পড়তে হলে ডিসিসান মেকারস হতে হবে

যদি আপনি  ইঞ্জিনিয়ারিং করতে চান তাহলে অবশ্যই আপনাকে decision-makers হতে হবে । 

প্রথম কথা হচ্ছে এ সাব্জেক্টে আপনার কনফিউশন অনেক বেশি। শুধুমাত্র কম্পিউটার সাইন্সে পড়ালেখা করে কেউ ফ্রিল্যান্সিং করে কেউ ডেভলপমেন্ট করে,

আবার কেউ ইঞ্জিনিয়ারিং করে,কম্পিউটার সায়েন্স পড়ে অনেকে মেশিন লার্নিং করে ।

রকম অনেক শাখা প্রশাখা রয়েছে। এখন আপনাকে ডিসিশন নিতে হবে যে আপনি আসলে কোন এরিয়াতে এক্সপার্ট হতে চান।

কম্পিউটার সাইন্স ইঞ্জিনিয়ারিং এর সুযোগ সুবিধাঃ

আরেকটা ব্যাপার হচ্ছে যে এ সাবজেক্ট এ সুইস করার সুযোগ অনেক বেশি। যেমন এক্সাম্পল হিসেবে আপনাদেরকে যদি একটা কথা বলি,

কোন কোম্পানিতে যদি আপনি জানেন যেখানে কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং এ চাকরির সুযোগ রয়েছে।

কিন্তু প্রত্যেকটা কোম্পানিতে যে রিকোয়ারমেন্ট রয়েছে সেটা কিন্তু আলাদা আলাদা।

কাজেই কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে আপনি একাই কিন্তু সব দিকে যেতে পারবেন না।

আপনাকে একদিকে থাকতে হবে এবং সেই দিক এর জন্য আপনাকে ডিসিশন নিতে হবে যে আপনি প্রোগ্রামিং করবেন নাকি আপনি ডেভলপমেন্ট করবেন।

ডিসিশন নেওয়ার পরে আপনাকে সে অনুযায়ী কাজ করে যেতে হবে। সে অনুযায়ী কাজ করতে হবে শুধুমাত্র প্ল্যান করে আপনি কখনো ভালো ইঞ্জিনিয়ার হতে পারবেন না।

এক্সিকিউশন এর ব্যাপারে যদি আমি আরেকটু বলিঃ

অনেকেই বলে থাকে আমার কাছে ২০ টি টিউটিরিয়াল রয়েছে,আমার কাছে অমুকের টিউটোরিয়াল রয়েছে।

শুধুমাত্র কোর্স রাখলে কোন লাভ হবে না। আপনার জন্য আমার কম্পিউটারে স্টোরেজ শুধুমাত্র ফুল হবে।

আপনি কখনোই সেগুলো শিখতে পারবেন না। যদি আপনার এক্সিকিউশ না থাকে তাহলে আপনি এই প্রবলেমটি ফেস করবেন।।

কাজেই আপনাকে শুধু ডিসিশন নিয়ে বসে থাকলে হবে না শুধু প্ল্যান করে বসে থাকলে হবে না আপনাকে এক্সিকিউটিভ করতে হবে।

এখন এটি যদি আপনার প্রবলেম হয় আমি যদি শুধুই প্লান করতে থাকেন। যে কাজ করতে পছন্দ না করেন তাহলে আপনার জন্য এ সাবজেক্টে আপনার জন্য প্রযোজ্য হবে না।

তাহলে যদি আপনি ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে চান তাহলে খুবই শরটলি,একেবারে ঠান্ডা মাথায় বিবেচনা করতে হবে।

যে আপনি কি পরিশ্রম করতে পছন্দ করেন?

যদি পছন্দ করেন তাহলে আপনি ইঞ্জিনিয়ারিং আসতে পারেন,আর যদি না করেন তাহলে এটি আপনার জন্য না।

ইঞ্জিনিয়ারিং করতে হলে সেলফ লার্নার হতে হবেঃ

যদি আপনি সেলফ লার্নার হন তাহলে আপনি ইঞ্জিনিয়ার এই সাবজেক্টে আসতে পারেন। আর যদি সেলফ লার্নার না হন তাহলে ইঞ্জিনিয়ারিং আপনার জন্য খুবই খারাপ হয়ে যেতে পারে।

যদি আপনি প্ল্যান করতে পারেন এবং প্রতিটি প্ল্যান এক্সিকিউটিভ পারেন তাহলে ইঞ্জিনিয়ারিং আপনার জন্য ভাল অপশন হতে পারে।

আর যদি আপনি শুধু প্লান করেন আর সেই প্লান এক্সিকিউটিভ পছন্দ না করেন তাহলে ইঞ্জিনিয়ারিং সাবজেক্ট কি আপনার জন্য ভালো নাও হতে।

কম্পিউটার সাইন্স ইঞ্জিনিয়ারিং এ দেশের বাইরে কি হতে পারেঃ

দেখুন অনেক এক্সপ্লেইনেশন রয়েছে,হতে পারে বাইরের দেশে যে আপনি ভালো ইঞ্জিনিয়ার হতে পারেন অথবা ভালো কিছু করে ফেলতে পারেন।

এটার মানে এই না যে আপনি একেবারে জেনেরিক হবে বলে ফেলতে পারবেন।

ইঞ্জিনিয়ারিং ভালো সাবজেক্ট অথবা কঠিন সাবজেক্ট নয় অথবা জেনেরিক ভাবে বলবেন যে আপনি সেল লার্নার না হয়েও ইঞ্জিনিয়ার হতে পারেন।

এগুলো জেনেরিক না এগুলো শুধুমাত্র একটা এক্সাম্পল।

তাই আপনারা যারা ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার দ্বিধাদ্বন্দ্বে রয়েছেন তারা এই জিনিসগুলো ভালোভাবে বিবেচনা করে ইঞ্জিনিয়ারিং এ ভর্তি হতে পারেন।

তো এই ছিল আপনাদের ইঞ্জিনিয়ারিং পড়া উচিত কিনা সেটি নিয়ে বিস্তারিত ব্লগ। 

আশা করি এই ব্লগের বিস্তারিত পড়ার পরেই আপনারা নিজেরাই বুঝতে পেড়েছেন যে ইঞ্জিনিয়ারিং সাবজেক্ট কি আপনার জন্য প্রযোজ্য কিনা।

অথবা ইঞ্জিনিয়ারিং আপনার ভালো করার সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে কিনা।

আশা করি আপনারা ভালোভাবে বুঝতে পেরেছেন। এর বাইরে যদি বুঝতে কোন সমস্যা হয় তাহলে অবশ্যই কমেন্ট বক্সে আমাদেরকে জানাতে ভুলবেন না।

আমরা আমাদের যথাসাধ্য চেষ্টা করব তার উত্তর দাও। একই সাথে চাইলে আমার ইউটিউব চ্যানেল ফলো করতে পারেন।

0Shares

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Close